OMG! ইউক্রেনের ছোড়া ক্ষেপণাস্ত্রেই ভূপাতিত ইউক্রেনীয়দের বহনকারী বিমান

রাশিয়ার বেলগোরোদ অঞ্চলে বিধ্বস্ত হওয়া রুশ সামরিক বিমানটি ইউক্রেনীয় সেনাদের ছোড়া ক্ষেপণাস্ত্রেই ভূপাতিত হয়েছে বলে দাবি করেছে রাশিয়া।
বুধবার (২৪ জানুয়ারি) রুশ প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানায়, বিধ্বস্ত বিমানটি তাদের ছিল। আর আইএল (ইলিউশিন)-৭৬ মডেলের ওই বিমানে বহন করা হচ্ছিল ৬৫ ইউক্রেনীয় যুদ্ধবন্দিকে। যাদের রুশ সেনাদের সঙ্গে বন্দি বিনিময় করা হতো।

রুশ মন্ত্রণালয় আরো জানিয়েছে, বিমানটিতে ইউক্রেনীয় যুদ্ধবন্দি ছাড়া আরো ৯জন যাত্রী ছিলেন। যাদের মধ্যে ছয়জন হলেন ক্রু।

ইউক্রেনের জেনারেল স্টাফের একটি সূত্র জানিয়েছে, বিমানটি ইউক্রেনীয় সেনারাই বিধ্বস্ত করেছে। কারণ তাদের ধারণা ছিল, বিমানটি এস-৩০০ আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার ক্ষেপণাস্ত্র বহন করছিল। যে ক্ষেপণাস্ত্র দিয়ে খারকিভে গতকাল ভয়াবহ হামলা চালানো হয়েছে।

তবে বিমানটিতে কোনো যুদ্ধবন্দি থাকার কথা অস্বীকার করেছে ইউক্রেন।

রাশিয়ার অবসরপ্রাপ্ত জেনারেল এবং সংসদের নিম্নকক্ষ ডুমার সদস্য আন্দ্রে কারতাপোলোভ জানিয়েছে, বেলগোরোদে যে সামরিক বিমানটি বিধ্বস্ত হয়েছে; সেটিতে তিনটি ক্ষেপণাস্ত্র দিয়ে আঘাত হানা হয়েছে। আর এসব ক্ষেপণাস্ত্র ইউক্রেনকে পশ্চিমা দেশগুলো দিয়েছে।

তবে তিনি কোথা থেকে এই তথ্য জেনেছে সে বিষয়টি পরিষ্কার করেননি। তিনি জানিয়েছেন, তদন্তের মাধ্যমে বের হয়ে আসবে ক্ষেপণাস্ত্রগুলো যুক্তরাষ্ট্রের প্যাট্রিয়ট নাকি জাপানের আইআরআইএস-টিএস ছিল।

রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে যখন জানানো হয়, বিমানটিতে ইউক্রেনের যুদ্ধবন্দিরা ছিলেন, তখন ইউক্রেনীয় সংবাদমাধ্যমগুলো জেনারেল স্টাফের সূত্রের মাধ্যমে প্রকাশিত খবরটি তাদের সাইট থেকে সরিয়ে ফেলে।

যদি রুশ প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের দেওয়া তথ্য সঠিক হয়ে থাকে; তাহলে বিষয়টি ইউক্রেনের জন্য বড় একটি ধাক্কা হবে। কারণ এরমাধ্যমে রাশিয়ার ক্ষতি করতে গিয়ে নিজেদের সেনাদেরই হত্যা করেছে তারা।

সূত্র: রয়টার্স