পৌঁছয়নি গরম খিচুড়ি, শ্রমিকদের জন্য এবার পাঠানো হবে পোলাও-মটর পনির, কতদিনে হবে উদ্ধার?

উত্তরকাশীর সিল্কইয়ারা টানেলে ধসের ১১তম দিনেও উদ্ধার অভিযান অব্যাহত রয়েছে। এখনও পর্যন্ত কোনও শ্রমিককে বের করা সম্ভব হয়নি। উদ্ধারকারী দল পাঁচটি আলাদা পথে কাজ করছে।
শ্রমিকদের ভিডিয়ো ফুটেজ প্রকাশ্যে
এদিকে, আজ প্রকাশ্যে এসেছে শ্রমিকদের প্রথম ভিডিয়ো ফুটেজ। একটি পাঁচ ইঞ্চি পুরু পাইপ ধ্বংসস্তূপ পর্যন্ত প্রবেশ করানো হয়েছিল। সেখান থেকে ক্যামেরা ঢুকিয়ে শ্রমিকদের পরিস্থিতি দেখা গিয়েছে। ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে, শ্রমিকরা আপাতত সুস্থ আছেন।
শ্রমিকদের জন্য ভেজ পোলাও ও মটর পনির
উদ্ধারকারী দল শ্রমিকদের জন্য ভেজ পোলাও ও মটর পনির পাঠিয়ে দিয়েছে। একটি স্থানীয় থাবারের রাঁধুনি এই খাবারগুলি রান্না করেছেন। পাইপের মাধ্যমে তা শ্রমিকদের কাছে পৌঁছে দেওয়া হবে।
ধ্বংসস্তূপের মধ্যে খাবার আটকে যাওয়ার কারণ
আগের দিন শ্রমিকদের জন্য গরম খিচুড়ি পাঠানো হলেও তা ধ্বংসস্তূপের মধ্যে আটকে যায়। ন্যাশনাল হাইওয়েস অ্যান্ড ইনফ্রাস্ট্রাকচার ডেভেলপমেন্ট কর্পোরেশনের ডিরেক্টর অংশু মণীশ খুলকো জানান, প্ল্যাস্টিকের বোতলে ভরে এই খাবার পাইপের মাধ্যমে পৌঁছানোর চেষ্টা করা হয়েছিল। কিন্তু, মাঝপথে কিছু একটা আটকে যায় প্ল্যাস্টিকের বোতলগুলির মুখে। ফলে শ্রমিকদের কাছে আর সে খাবার যায়নি।
শ্রমিকদের উদ্ধারের পরিকল্পনা
জাতীয় বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনীর সদস্য অবসরপ্রাপ্ত লেফটেন্যান্ট জেনারেল সায়েদ এটা হাসনায়েন জানান, পরিকল্পনা অনুযায়ী, একটি ৯০০ মিলিমিটার পাইপ ঢোকানো হবে ধ্বংসস্তূপে। আড়াআড়িভাবে ড্রিল করা হবে গুহায়। সেখান থেকেই শ্রমিকদের জন্য এসকেপ রুট তৈরি করা হবে। তবে সড়ক ও পরিবণের টেকনিক্যাল বিভাগের অতিরিক্ত সচিব আবার জানিয়েছেন, ৯০০ নয় ৮০০ মিলিমিটার ড্রিল করা হবে উদ্ধারকাজের স্বার্থে। সূত্র মারফত এও খবর পাওয়া যাচ্ছে, এই বিপর্যস্ত টানেলের পিছন থেকে অপর একটি সুড়ঙ্গ খোদাই করে শ্রমিকদের কাছে পৌঁছানোর চেষ্টা করা হতে পারে।
উদ্ধারকাজে বিদেশি বিশেষজ্ঞের সহায়তা
উদ্ধারকাজে বিদেশি টানেল বিশেষজ্ঞ ছাড়াও সহায়তা করছে NDRF, ITBP, সেনা, SDRF, দমকল এবং জরুরি পরিষেবা, BSF।