‘যদি বাঘাযতীন বেঁচে থাকতেন তাহলে গান্ধীজির জন্ম হত না’, অকপট দেব

পুজোয় মুক্তি পাওয়া চারটি ছবির মধ্যে জনপ্রিয়তার দৌড়ে এগিয়ে রয়েছে দেবের বাঘা যতীন। অভিনেতার অভিনয় এবং পরিচালক অরুণ রায়ের দক্ষতার হাত ধরে এই ছবিটি দর্শকদের মন জয় করতে সক্ষম হয়েছে।

বাঘা যতীন শুধু বাংলাতেই নয়, দেশ জুড়েই মুক্তি পেয়েছে। কদিন আগে মুম্বইতেও ছবির প্রচারে গিয়েছিলেন দেব। সেখানে তিনি বলেছেন, “এই ছবিতে ৯২টি চরিত্র রয়েছে। এরা প্রত্যেকেই কিন্তু শুধু চরিত্র নয়। দেশের স্বাধীনতায় এদের অবদান অনস্বীকার্য। আমরা স্বাধীনতা সংগ্রামী বলতে গেলে চার-পাঁচজনকেই মনে রাখি। কিন্তু এদের বেশিরভাগারই নাম নেই কোথাও। আমি বাঘা যতীন করছি বলে কাওকে ছোট করছি না। চার্লস টেগাট যিনি ব্রিটিশদের সবচেয়ে ডাকসাঁইটে অফিসার ছিলেন তাঁর আত্মজীবনীতে লেখা আছে, যদি বাঘাযতীন বেঁচে থাকতেন তাহলে গান্ধীজির জন্ম হত না। বুড়িবালামে যদি জাহাজ পৌঁছে যেত, ভারতবর্ষের ১-২ বছর লাগত স্বাধীনতা পেতে। ওই অস্ত্র যদি জার্মানি থেকে আসত দেশে। ১৯১৫-১৯১৭-এর মধ্যে স্বাধীনতা পেয়ে যেত ভারত। আমার মনে হয় বাঙালি কেন, দেশের প্রত্যেকটা মানুষের জানা উচিত। তাই বাইরে একটা হলেও হলে মুক্তি পাক বাঘা যতীন।”

দেব আরও বলেন, “এটা আমাদের জন্য শুধু একটা সিনেমা নয়। একটা আবেগ। গত আড়াই বছর ধরে আমরা এই সিনেমাটার মধ্যেই কাটিয়েছি। আমি একা নই, আমার পুরো টিম। আমি চাই বাঘা যতীন নিয়ে গর্ব করুক সব বাঙালি।”

পুজোর ছবি হিসেবে চলতি বছরে বাঘা যতীনকে কড়া টক্কর দেবে সৃজিতের দশম অবতার। যাতে রয়েছে প্রসেনজিৎ, অনির্বাণ, যিশু ও জয়া আহসান। এছাড়াও রয়েছে রক্তবীজ ছবি। যা পরিচালনা করেছেন নন্দিতা আর শিবপ্রসাদ। মুখ্য চরিত্রে আবির ও মিমি। এবং কোয়েলের ‘জঙ্গলে মিতিন মাসী’।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *