সন্তানের সামনেই গুলিতে ঝাঁঝরা মা-বাবার বুক ! হামাসের নৃশংস রূপ ইজরায়েলে

ইজরায়েল, হামাস, হেজবোল্লাহ, সিরিয়া, লেবানন ও ইরান- এই ছয়টি পক্ষের মধ্যে চলছে পশ্চিম এশিয়ার যুদ্ধ। যুদ্ধের শুরু থেকেই রক্তক্ষয়ী ও ভয়াবহ পরিস্থিতি বিরাজ করছে।

ইজরায়েলের তিনমুখী আক্রমণ

বৃহস্পতিবার ইজরায়েল সিরিয়ার দুটি বিমানবন্দরে এয়ার স্ট্রাইক চালায়। দামাস্কাস ও আলেপ্পো এয়ারপোর্টে আছড়ে পড়া ক্ষেপণাস্ত্রের ফলে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ এখনও জানা যায়নি। তবে, এটি ইজরায়েলের তরফ থেকে একটি উল্লেখযোগ্য পদক্ষেপ।

গাজা স্ট্রিপের দিকে থেকে হামাসের রকেট হামলা পুরোপুরি বন্ধ হয়নি। গতকালও দিনভর সেখান থেকে রকেট ও মর্টারের শেল ছুড়েছে প্যালেস্তানীয় জঙ্গিরা। এর পালটা জবাব দিতে ছাড়েনি ইজরায়েল।

লেবানন সীমান্তের দিক থেকেও মাঝে মধ্যেই হামলা চালাচ্ছে হেজবোল্লাহ প্যালেস্তাইনপন্থী জঙ্গিরা। হামাসকে পুরোপুরি সমর্থনের কথা বলেছে তারা।

ইজরায়েলের সামরিক প্রস্তুতি

গত ছ’দিনের যুদ্ধে গাজাকে পুরোপুরি ঘেরার কাজ একরকম সেরে ফেলেছে ইজরায়েল। বৃহস্পতিবার ট্য়াঙ্ক বাহিনী নিয়ে হামাসের খাস তালুকে ঢোকা শুরু করে ইহুদিদের গ্রাউন্ড ফোর্স। গাজা স্ট্রিপের উত্তরে বেইট লাহিয়ায় ইতিমধ্যেই নেমেছে বিপুল সেনা। প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুর নির্দেশ পেলে সেই বাহিনীও ঢুকবে গাজায়।

মার্কিন ও ব্রিটিশ সহায়তা

যুদ্ধের মধ্যেই মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের থেকে বিপুল পরিমাণ অত্যাধুনিক অস্ত্র সাহায্য পাচ্ছে ইজরায়েল। শুক্র বা শনিবারের মধ্যে ব্রিটিশ যুদ্ধজাহাজও সেখানে পৌঁছবে বলে জানা গিয়েছে। ফলে চলতি সপ্তাহেই গাজা পুরোপুরি ইজরায়েলের হাতে আসতে পারে বলে মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল।

যুদ্ধের ভবিষ্যৎ

যুদ্ধের ভবিষ্যৎ এখনও অনিশ্চিত। তবে, এটি আরও রক্তক্ষয়ী ও ভয়াবহ রূপ নিতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

যুদ্ধের প্রভাব

যুদ্ধের প্রভাব পশ্চিম এশিয়ার অঞ্চলে ব্যাপক। ইজরায়েল-ফিলিস্তিন সংঘাতের নতুন মাত্রা যোগ করেছে এই যুদ্ধ। এছাড়া, যুদ্ধের ফলে মধ্যপ্রাচ্যের অস্থিরতা আরও বাড়তে পারে। দক্ষিণ ইজরায়েলের শহরগুলির বহু জায়গাতেই মাথা কেটে শিশুদের খুন করে হামাস জঙ্গিরা। কোথাও আবার চোখের সামনেই মা-বাবাকে গুলি করে মারে তারা। এখনও পর্যন্ত প্রায় দেড় হাজার ইজরায়েলির মৃত্য়ু হয়েছে। প্রাণ গিয়েছে এক হাজার ৩০০ প্য়ালেস্তানীয়র।

উপসংহার

পশ্চিম এশিয়ার যুদ্ধ এখনও চলছে। যুদ্ধের ভবিষ্যৎ অনিশ্চিত হলেও, এটি আরও ভয়াবহ রূপ নিতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। যুদ্ধের প্রভাব পশ্চিম এশিয়ার অঞ্চলে ব্যাপক। ইজরায়েল-ফিলিস্তিন সংঘাতের নতুন মাত্রা যোগ করেছে এই যুদ্ধ। এছাড়া, যুদ্ধের ফলে মধ্যপ্রাচ্যের অস্থিরতা আরও বাড়তে পারে।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *