নন্দীগ্রামে উত্তাপ! পুলিশের ভূমিকা নিয়ে বড় নালিশ কমিশনে, অ্যাকশন মোডে সিইও আরজি কর?

হাই-ভোল্টেজ নন্দীগ্রামে উত্তাপ বেড়েই চলেছে। এবার খোদ নন্দীগ্রাম থানার বিরুদ্ধেই অভিযোগ উঠল রাজনৈতিক পক্ষপাতিত্ব ও নিষ্ক্রিয়তার। অভিযোগ জমা পড়তেই নড়েচড়ে বসেছে নির্বাচন কমিশন। পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনের (২০২৬) প্রথম দফার মুখে এই ঘটনা প্রশাসনের অস্বস্তি বাড়িয়ে দিল।
অভিযোগের তির কোথায়? সূত্রের খবর, নন্দীগ্রামের বিভিন্ন এলাকায় গত কয়েক দিনে রাজনৈতিক সংঘর্ষ ও ভোটারদের ভয় দেখানোর অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগকারীদের দাবি, বারবার থানায় জানানো সত্ত্বেও পুলিশ কোনো কার্যকর ব্যবস্থা নেয়নি। এমনকি অপরাধীরা প্রকাশ্যে ঘুরে বেড়ালেও পুলিশ নীরব দর্শক হয়ে থাকছে—এমনটাই নালিশ জানানো হয়েছে মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের (CEO) কাছে।
কমিশনের কড়া অবস্থান: অভিযোগ পাওয়া মাত্রই কড়া পদক্ষেপ নিয়েছেন মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক মনোজ কুমার আগরওয়াল। তিনি পূর্ব মেদিনীপুরের জেলা নির্বাচন আধিকারিকের (DEO) কাছে নন্দীগ্রাম থানার সামগ্রিক আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি এবং পুলিশের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ নিয়ে বিস্তারিত রিপোর্ট তলব করেছেন। কেন পুলিশ পদক্ষেপ নেয়নি এবং এলাকায় শান্তি ফেরাতে কী কী করা হয়েছে, তা নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে জানাতে বলা হয়েছে।
নিরাপত্তায় কড়াকড়ি: কমিশন স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে, নন্দীগ্রামের মতো স্পর্শকাতর এলাকায় কোনো প্রকার গাফিলতি সহ্য করা হবে না। যদি পুলিশের বিরুদ্ধে অসহযোগিতার প্রমাণ মেলে, তবে ওই থানার ওসিসহ সংশ্লিষ্ট আধিকারিকদের বিরুদ্ধে নির্বাচনী বিধি ভঙ্গের দায়ে বড়সড় বিভাগীয় পদক্ষেপ নেওয়া হতে পারে। প্রয়োজনে নন্দীগ্রামের প্রতিটি মোড়ে অতিরিক্ত কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করার পরিকল্পনাও রয়েছে কমিশনের।