জলবন্দি খানাকুল, সরকারি নির্দেশিকার অভাবে জলের মধ্যেই চলছে স্কুল

অতিবৃষ্টি ও ডিভিসির ছাড়া জলে খানাকুলের বিস্তীর্ণ এলাকা জলমগ্ন হলেও সরকারি নির্দেশিকার অভাবে বন্ধ হয়নি বহু স্কুল। কামদেবপুর প্রাথমিক বিদ্যালয়ের একতলা, মিড ডে মিলের রান্নাঘর এবং নলকূপ পর্যন্ত জলের তলায় চলে গেছে। তা সত্ত্বেও শিক্ষক-শিক্ষিকা ও পড়ুয়ারা ঝুঁকি নিয়ে জল পেরিয়ে স্কুলে আসছেন। এই দৃশ্য দেখে স্থানীয়দের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।
পাশের গ্রাম জয়গোলানন্দপুরেও একই চিত্র। সেখানকার স্কুলটি বন্যাদুর্গত পরিবারের আশ্রয়স্থল হওয়ায় পঠনপাঠন বন্ধ। তবে স্কুল বন্ধের কোনো সরকারি নির্দেশ না থাকায় শিক্ষকরা নিয়মিত স্কুলে এসে হাজিরা দিচ্ছেন। জলমগ্ন গ্রামীণ রাস্তাঘাট বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ায় এলাকার মানুষের যাতায়াত আরও কঠিন হয়ে পড়েছে। অনেক জায়গায় নৌকারও অপ্রতুলতা রয়েছে।
এই কঠিন পরিস্থিতিতেও আশাকর্মীরা এক কোমর জল পেরিয়ে মানুষকে পরিষেবা দেওয়ার চেষ্টা করছেন। তাঁরা জানিয়েছেন, জল আরও বাড়লে নৌকায় করে পরিষেবা দিতে হবে। স্থানীয় বাসিন্দারা চরম দুর্ভোগে দিন কাটাচ্ছেন, কারণ ডিভিসির ছাড়া জলের কারণে নদনদী ভরে যাওয়ায় এলাকা থেকে জল সরছে না। কোথাও এক মাস, কোথাও ১০ দিন ধরে জলবন্দি অবস্থায় রয়েছেন মানুষ।