অ্যাপলকে কেন নকল করা অসম্ভব? যে কারণ ফাঁস করলেন সিইও টিম কুক

আগামী ১ এপ্রিল ২০২৬-এ পা দিতে চলেছে টেক জায়ান্ট অ্যাপল (Apple)। সুবর্ণ জয়ন্তীর এই ঐতিহাসিক মুহূর্তের আগে এনডিটিভি-কে দেওয়া এক একান্ত সাক্ষাৎকারে টিম কুক সাফ জানিয়ে দিলেন, দুনিয়ার যে কেউ চাইলেই অ্যাপল হতে পারে না। তাঁর মতে, অ্যাপল কোনো সাধারণ কোম্পানি নয়, বরং এটি একটি ‘পার্টি অব ওয়ান’ বা একক অনন্য প্রতিষ্ঠান।
সাফল্যের দুই স্তম্ভ: মানুষ ও সংস্কৃতি টিম কুকের দাবি, অনেক কোম্পানি বড় বড় ল্যাব বা টেকনোলজি দিয়ে উন্নতির চেষ্টা করে, কিন্তু অ্যাপলের আসল সম্পদ হলো এর কর্মী এবং কাজের সংস্কৃতি। তিনি বলেন, “সঠিক মানুষ যখন উদ্ভাবনী সংস্কৃতির মধ্যে কাজ করে, তখনই এমন পণ্য তৈরি হয় যা বিশ্ব জয় করে। মানুষ আইডিয়া আনে, আর আমাদের সংস্কৃতি সেই আইডিয়াকে বাস্তবে রূপ দেয়।”
স্যামসাং ও নোকিয়াকে কটাক্ষ? সাক্ষাৎকারে কুক অ্যাপলের দীর্ঘস্থায়ী স্থায়িত্ব বোঝাতে গিয়ে স্যামসাং ও নোকিয়ার উদাহরণ টানেন। তিনি বলেন, “স্যামসাং শুরু হয়েছিল শুকনো মাছ বিক্রি দিয়ে, নোকিয়া ছিল কাগজের কারখানা। কিন্তু অ্যাপল ৫০ বছর আগে যা ছিল, আজও সেই প্রযুক্তিগত উৎকর্ষের জায়গাতেই টিকে আছে।” তাঁর মতে, প্রযুক্তিকে মানুষের ব্যবহারযোগ্য করে তোলাই ছিল স্টিভ জবসের লক্ষ্য, যা আজও অপরিবর্তিত।
রক টাম্বলার থিওরি: আইডিয়া কীভাবে উন্নত হয়? কুক ব্যাখ্যা করলেন ‘রক টাম্বলার’ থিওরির মাধ্যমে। যেমন পাথরগুলো টাম্বলারে একে অপরের সঙ্গে ধাক্কা খেয়ে মসৃণ হয়, তেমনই অ্যাপলে ভিন্ন মতের মানুষ যখন তর্কে জড়ান, সেখান থেকেই বেরিয়ে আসে বছরের সেরা সব আইডিয়া।
টিম কুকের এই আত্মবিশ্বাস প্রমাণ করে যে, বিশ্ববাজারের কঠিন চ্যালেঞ্জের মুখে দাঁড়িয়েও আইফোন নির্মাতা সংস্থাটি আজও কতটা অদম্য।