AC-কেনার সময় ৪ ভুলে বাড়তে পারে বিদ্যুৎ খরচ, জেনে নিয়ে থাকুন সতর্ক

বসন্তের শেষেই রোদের ঝলসানি জানান দিচ্ছে—ভয়ংকর গরম আসছে! আর এই গরমে স্বস্তির খোঁজে অনেকেই নতুন এসি (AC) কেনার পরিকল্পনা করছেন। কিন্তু হুটহাট শোরুমে গিয়ে একটা এসি তুলে আনা মানেই সমাধান নয়। ভুল এসি কিনলে মাস শেষে বিদ্যুৎ বিল দেখে আপনার ঘাম ছুটতে পারে!
এসি কেনার সময় কোন ৪টি ভুল আপনার বড় ক্ষতি করতে পারে, দেখে নিন একনজরে:
১. শুধু ‘টন’ দেখে এসি কেনা বন্ধ করুন অনেকেই ভাবেন বড় ঘর মানেই ২ টন, আর ছোট ঘর মানেই ১ টন। কিন্তু শুধু ঘরের আয়তন নয়; ছাদ কতটা উঁচুতে, ঘরে কয়টি জানালা আছে এবং সরাসরি রোদ ঢোকে কি না—তাও দেখা জরুরি।
-
টিপস: ১০০-১২০ বর্গফুটের জন্য ১ টন, ১২০-১৮০ বর্গফুটের জন্য ১.৫ টন এসি আদর্শ। তবে ঘরে রোদ বেশি ঢুকলে একটু বেশি ক্ষমতার এসি নেওয়াই বুদ্ধিমানের কাজ।
২. স্টার রেটিংয়ে অবহেলা মানেই টাকার শ্রাদ্ধ দোকানে ৩-স্টার রেটিংয়ের এসির দাম কম দেখে প্রলুব্ধ হবেন না। মনে রাখবেন, ৫-স্টার রেটিংয়ের এসি শুরুতে একটু দামী মনে হলেও, মাস শেষে বিদ্যুৎ বিলে যা সাশ্রয় করবে তা কয়েক মাসেই উসুল হয়ে যাবে। ৫-স্টার এসি মানেই দীর্ঘমেয়াদী সঞ্চয়।
৩. ইনভার্টার টেকনোলজি কি এড়িয়ে যাচ্ছেন? নন-ইনভার্টার এসি বারবার চালু ও বন্ধ হয়, যা বিদ্যুতের ওপর চাপ বাড়ায়। অন্যদিকে, ইনভার্টার এসি কম্প্রেশারের গতি নিয়ন্ত্রণ করে ঘরকে সমানভাবে শীতল রাখে এবং ৩০-৫০ শতাংশ পর্যন্ত বিদ্যুৎ সাশ্রয় করতে পারে। তাই দীর্ঘক্ষণ এসি চালানোর অভ্যাস থাকলে ইনভার্টার প্রযুক্তির বিকল্প নেই।
৪. সস্তা ব্র্যান্ড ও খারাপ সার্ভিসিংয়ের ফাঁদ অল্প টাকায় নামহীন ব্র্যান্ডের এসি কিনে বিপদে পড়বেন না। এসি কেনার আগে দেখে নিন:
-
অন্তত ১০ বছরের কম্প্রেসার ওয়ারেন্টি আছে কি না।
-
কপার কনডেন্সার (Copper Condenser) কি না (এটি দীর্ঘস্থায়ী হয়)।
-
আপনার এলাকায় ওই ব্র্যান্ডের সার্ভিস সেন্টার আছে কি না।