থার্ড পার্টি অ্যাপ ছাড়াই এক ফোনে দুইটি WhatsApp চালানোর উপায়, জেনেনিন পদ্ধতি

ছবি, ভিডিও আদান-প্রদান থেকে শুরু করে অডিও-ভিডিও কলের সুবিধা থাকায় আজকাল অনেকেই নিয়মিত হোয়াটসঅ্যাপ ব্যবহার করেন। ব্যক্তিগত ও অফিসের কাজের জন্য বা অন্যান্য কারণে একাধিক হোয়াটসঅ্যাপ অ্যাকাউন্ট ব্যবহার করার প্রয়োজন হতে পারে। কিন্তু একাধিক অ্যাকাউন্টের জন্য একাধিক স্মার্টফোন ব্যবহার করা যেমন কষ্টকর, তেমনই বেশ ব্যয়বহুল। তবে অ্যান্ড্রয়েড অপারেটিং সিস্টেমে চলা স্মার্টফোন ব্যবহারকারীদের জন্য সুখবর! এখন কোনো থার্ড পার্টি অ্যাপের সাহায্য ছাড়াই একই হোয়াটসঅ্যাপ অ্যাপ থেকে একাধিক অ্যাকাউন্ট একসঙ্গে ব্যবহার করা যায়। চাইলে একটি ফোনেই খুব সহজে দুইটি হোয়াটসঅ্যাপ অ্যাকাউন্ট চালানো সম্ভব।

আপনার একটি অ্যান্ড্রয়েড স্মার্টফোনেই যদি দুটি ভিন্ন নম্বরের হোয়াটসঅ্যাপ অ্যাকাউন্ট ব্যবহার করতে চান, তাহলে থার্ড পার্টি অ্যাপ ইনস্টল করার কোনো দরকার নেই। WhatsApp অ্যাপেই রয়েছে এই সুবিধা। চলুন দেখে নেওয়া যাক, কীভাবে আপনি আপনার একই ফোনে আপনার দ্বিতীয় হোয়াটসঅ্যাপ অ্যাকাউন্টটি অ্যাড বা যোগ করবেন।

দ্বিতীয় হোয়াটসঅ্যাপ অ্যাকাউন্ট যোগ করার পদ্ধতি:

১. প্রথমে আপনার ফোনে WhatsApp খুলুন।
২. অ্যাপের উপরে ডান কোণে থাকা তিনটি ডট-এ ট্যাপ করুন।
৩. যে অপশনগুলো আসবে, সেখান থেকে Settings-এ যান এবং অ্যাকাউন্ট (Account) অপশনটি বেছে নিন।
৪. এবার অ্যাকাউন্ট অপশনের ভেতরে থাকা অ্যাড অ্যাকাউন্ট (Add account)-এ ট্যাপ করুন।
৫. শর্তাবলী ভালো করে পড়ে Agree and continue-তে ট্যাপ করুন।
৬. এবার আপনার অন্য একটি ফোন নম্বর দিন এবং নির্দেশনা অনুসরণ করে আপনার দ্বিতীয় অ্যাকাউন্টটি সেট আপ করুন।

আপনার দ্বিতীয় অ্যাকাউন্টটি অ্যাড করা তো হয়ে গেল। এবার দরকার মতো কীভাবে একটি অ্যাকাউন্ট থেকে অন্যটিতে খুব সহজে স্যুইচ বা পরিবর্তন করবেন, সেটাও জেনে নেওয়া যাক।

দুটি অ্যাকাউন্টের মধ্যে স্যুইচ করার পদ্ধতি:

১. প্রথমে আপনার ফোনে WhatsApp খুলুন।
২. উপরে ডান কোণে থাকা তিনটি ডট-এ ট্যাপ করুন।
৩. যে অপশনগুলো আসবে, সেখান থেকে Switch accounts-এ ট্যাপ করুন।
৪. এবার যে অ্যাকাউন্টে লগইন করতে চান, সেটিতে ট্যাপ করলেই আপনি সেই অ্যাকাউন্টে চলে যাবেন।

এই নতুন সুবিধার ফলে যারা একাধিক হোয়াটসঅ্যাপ অ্যাকাউন্ট ব্যবহার করেন, তাদের আর একাধিক ফোন বা থার্ড পার্টি অ্যাপের উপর নির্ভর করতে হবে না। একটি অ্যাপেই সহজেই দুটো অ্যাকাউন্ট ম্যানেজ করা যাবে। এতে সময় এবং অর্থ দুটোই সাশ্রয় হবে।