Teligram: ফ্রান্সে গ্রেফতার টেলিগ্রাম-র প্রতিষ্ঠাতা পাভেল দুরভ, জেনেনিন কী কারণ?

টেলিগ্রাম মেসেজিং অ্যাপের প্রতিষ্ঠাতা এবং সিইও পাভেল দুরভকে শনিবার সন্ধ্যায় ফ্রান্সের প্যারিসের লে বোর্গেট বিমানবন্দরে গ্রেফতার করা হয়েছে। মডারেটরের অভাবের কারণে টেলিগ্রামে অপরাধমূলক কার্যকলাপ চলছে, এই অভিযোগেই তাঁকে গ্রেফতার করা হয়েছে বলে জানা গেছে।
রাশিয়ান বংশোদ্ভূত দুরভ রাশিয়ার সরকারের হস্তক্ষেপ এড়াতে ২০১৪ সালে দেশ ছেড়েছিলেন। তিনি সবসময় টেলিগ্রামকে একটি স্বাধীন প্ল্যাটফর্ম হিসাবে বজায় রাখার চেষ্টা করেছেন। তবে, রাশিয়া এবং ইউক্রেন যুদ্ধের সময় টেলিগ্রামে ভুল তথ্যের প্রবাহ বেড়ে যাওয়ায় এটি বিতর্কের কেন্দ্রবিন্দুতে চলে এসেছে।
টেলিগ্রামে মডারেটরের অভাবের কারণে অপরাধমূলক কার্যকলাপ বেড়ে যাওয়া। বিভিন্ন সরকারের তরফ থেকে টেলিগ্রামকে নিয়ন্ত্রণ করার চেষ্টা।
রাশিয়ান বংশোদ্ভূত সিইও পাভেল দুরভ ২০১৩ সালে তাঁর ভাইয়ের সঙ্গে মিলে টেলিগ্রাম শুরু করেছিলেন। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এর পরে রাশিয়ান সরকার তাঁদের অ্যাপে বিরোধী দলগুলির কমিউনিটি বন্ধ করার সিদ্ধান্ত নেয়। যদিও টেলিগ্রাম এই নির্দেশ মেনে নেয়নি। এর পর ২০১৪ সালে তিনি রাশিয়া ত্যাগ করেন।
রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে যে পাভেল দুরভ একবার এপ্রিল মাসে আমেরিকান সাংবাদিক টাকার কার্লসনকে বলেছিলেন যে তিনি কারও কাছ থেকে আদেশ নেওয়ার চেয়ে স্বাধীন হতে চান। এই কারণে তিনি রাশিয়া ছেড়ে তাঁর কোম্পানির জন্য অন্য জায়গা খুঁজতে শুরু করেন।
টেলিগ্রাম ব্যবহারকারীরা এই ঘটনাকে কীভাবে নেবে তা দেখার বিষয়।টেলিগ্রামের ভবিষ্যৎ এবং স্বাধীন অনলাইন প্ল্যাটফর্মের উপর এর প্রভাব। এই ঘটনা আন্তর্জাতিক ভূরাজনৈতিক পরিস্থিতিতে নতুন মাত্রা যোগ করতে পারে।
দুরভের গ্রেফতার স্বাধীন অনলাইন প্ল্যাটফর্মের ভবিষ্যৎ নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন তুলে ধরেছে। একদিকে যেখানে সরকারগুলি অনলাইনে তথ্যের প্রবাহ নিয়ন্ত্রণ করতে চায়, অন্যদিকে ব্যবহারকারীরা স্বাধীনভাবে তথ্য আদান-প্রদান করতে চায়। এই সংঘাতের মধ্যে টেলিগ্রামের মতো প্ল্যাটফর্মগুলি সবসময় চ্যালেঞ্জের সম্মুখীন হয়।