“বাবা আমায় অন্ধকার ঘরে আটকে রাখতো”, ছোটবেলার ঘটনা বললেন দীপিকা!

বলিউডের প্রথম সারির অভিনেত্রী দীপিকা পাড়ুকোন এখন মাতৃত্বের স্বাদ উপভোগ করছেন। কিছুদিন হলো তাঁর কোল আলো করে এসেছে প্রথম সন্তান। এই সময়েই তাঁর ছোটবেলার কিছু স্মৃতি এবং তাঁর বাবার দেওয়া কিছু অমূল্য পরামর্শ নিয়ে আলোচনা হচ্ছে বিভিন্ন মহলে।

দীপিকা পাড়ুকোন মাঝেমধ্যেই তাঁর ছোটবেলার নানা ঘটনা এবং অভিজ্ঞতা অনুরাগীদের সাথে ভাগ করে নেন। একবার জনপ্রিয় কমেডি শো ‘কাপিল শর্মার শো’-তে এসে তিনি খোলাখুলি জানিয়েছিলেন যে তাঁর বাবা-মা, বিশেষ করে বাবা তাঁকে বেশ কড়া শাসনের মধ্যে রাখতেন এবং ছোটবেলায় দুষ্টুমি করলে বা নিয়ম ভাঙলে শাস্তিও পেতে হতো।

সেই শাস্তির একটি ঘটনার কথা বলতে গিয়ে দীপিকা বলেন, “আমরা যে ফ্ল্যাটে থাকতাম, সেখানে আগে একটি বড় রান্নাঘর ছিল এবং সেটার সঙ্গে একটি স্টোর রুমও ছিল। যখনই আমি দুষ্টুমি করতাম, বা বাবা-মায়ের সঙ্গে অসভ্যতা করতাম কিংবা হোমওয়ার্ক ঠিকঠাক করতাম না, তখন আমাকে ওই স্টোর রুমে আটকে রাখা হতো।” ঘরটির বিশেষত্ব ছিল যে তার আলোর সুইচটি ছিল বাইরে। আর দীপিকার বাবা তাঁকে ঘরে ঢুকিয়ে বাইরে থেকে আলো নিভিয়ে তালাবন্ধ করে দিতেন। ছোটবেলার এই ঘটনা থেকেই বোঝা যায়, নিয়মশৃঙ্খলার ব্যাপারে তাঁর বাবা-মা কতটা অনড় ছিলেন।

দীপিকা একইসঙ্গে স্বীকার করেছেন যে তাঁর ব্যক্তিজীবন থেকে শুরু করে তাঁর বলিউড কেরিয়ার পর্যন্ত—সর্বত্রই তাঁর বাবার অবদান বিশাল। বাবার দেওয়া একটি পরামর্শ তাঁর জীবনকে কীভাবে প্রভাবিত করেছে, সে কথা বলতে গিয়ে তিনি আবুধাবির একটি অনুষ্ঠানে বলেছিলেন, “আমার বাবা সবসময় আমায় বলেছেন যা খুশি কর (জীবনে), কিন্তু মানুষ তোমায় সবসময়ে মনে রাখবে তুমি কেমন মানুষ সেটার জন্য।” দীপিকা জানিয়েছেন, তিনি সবসময় তাঁর বাবার এই কথাটি মনে রেখে চলার চেষ্টা করেন। সম্ভবত বাবার এই শিক্ষা তাঁর আজকের সাফল্য এবং ব্যক্তিত্ব গঠনে একটি বড় ভূমিকা রেখেছে।

উল্লেখ্য, গত বছর দীপিকা এবং তাঁর স্বামী রণবীর সিংয়ের জীবনে আসে তাঁদের প্রথম কন্যা সন্তান, যার নাম রাখা হয়েছে দুয়া। তবে এই তারকা দম্পতি এখনও পর্যন্ত তাঁদের সন্তানের মুখ জনসমক্ষে আনেননি।