মাকে ৭ পদ রান্না করে খাওয়ালো ছোট্ট রাহা! ইন্সটাতে ছবি শেয়ার করলো আলিয়া

দেখতে দেখতে বড় হচ্ছে রণবীর কাপুর ও আলিয়া ভাটের আদরের কন্যা রাহা। মায়ের সঙ্গে তার মিষ্টি বন্ধুত্বও ক্রমশ গাঢ় হচ্ছে। কিছুদিন আগেই ছোট্ট হাতে মায়ের ছবি তুলে তাক লাগিয়ে দিয়েছিল ২ বছর ৪ মাসের রাহা। আর এবার মায়ের জন্য নিজ হাতে বানিয়ে ফেলল সাত পদের এক বিশেষ ‘মধ্যাহ্নভোজ’।
অবাক হচ্ছেন? ভাবছেন এত ছোট্ট রাহা কীভাবে রান্না করলো?
আসলে পুরোটাই ঘটেছে খেলার ছলে। গত ১৫ এপ্রিল, মঙ্গলবার, খেলার সময় মা আলিয়া ভাটের জন্য ৭টি কল্পনিক পদের খাবার বানিয়ে পরিবেশন করেছে ছোট্ট রাহা। রং-বেরঙের প্লে-ক্লে দিয়ে তৈরি সেই খাবার রাহা তার মায়ের জন্য বহু রঙের প্লাস্টিকের থালায় সাজিয়ে ডাইনিং টেবিলে পরিবেশন করে। সেই মিষ্টি মুহূর্তের ছবি আলিয়া নিজেই তাঁর ইনস্টাগ্রাম স্টোরিতে শেয়ার করেছেন।
ছবিটির ক্যাপশনে আলিয়া লিখেছেন, “আমার প্রিয় শেফের কাছ থেকে ভালোবাসা সহ আমার ৭ পদের খাবার।” সেখানে দেখা যাচ্ছে, প্রায় আড়াই বছর বয়সী রাহা গোলাপি, সাদা ও সবুজ রঙের খেলনা মাটির মিশ্রণ দিয়ে বিভিন্ন আকৃতির ‘খাবার’ বানিয়েছে এবং সেগুলি ছোট ছোট থালায় সুন্দর করে সাজিয়েছে।
এর আগে গত সপ্তাহে আলিয়া তাঁর ইনস্টাগ্রামে রাহাকে ফটোগ্রাফারের ভূমিকাতেও দেখেছিলেন। ছোট্ট রাহা তাদের পোষ্য বিড়াল এডওয়ার্ডের সঙ্গে আলিয়ার একটি মিষ্টি ছবি তুলেছিল। সেই ছবির ক্যাপশনে আলিয়া লিখেছিলেন, “আমার রাজকুমারের সঙ্গে একটি ছবি, আমার রাজকুমারী তোলা।”
আলিয়া ভাট এবং রণবীর কাপুর দীর্ঘদিনের প্রেমের পর ২০২২ সালের এপ্রিলে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন। তাঁদের কন্যা রাহার জন্ম হয় ২০২২ সালের নভেম্বরে। ২০২৩ সালের ক্রিসমাসে রণবীর ও আলিয়া প্রথমবার রাহাকে জনসমক্ষে আনেন।

সম্প্রতি আলিয়া তাঁর সোশ্যাল মিডিয়া পোস্ট থেকে রাহার মুখ দেখা যায় এমন ছবি সরিয়ে ফেলেছেন। এই নিয়ে অনুরাগীদের মধ্যে কিছুটা মন খারাপ দেখা গেলেও, তারকা দম্পতি জানিয়েছেন, মেয়ের নিরাপত্তার কথা মাথায় রেখেই তাঁরা এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। তাঁরা স্পষ্ট করে জানান, রাহার ছবি তোলার সময় যেন তার মুখ ঢেকে দেওয়া হয় অথবা মুখ ঢাকা ছবি পোস্ট করা হয়।
একটি সাক্ষাৎকারে আলিয়া জানিয়েছিলেন, তাঁর দেখা সবচেয়ে খারাপ স্বপ্ন হল কেউ তাঁদের বাড়িতে ঢুকে রাহাকে চুরি করে নিয়ে যাবে। রণবীর কাপুরও মিডিয়ার কাছে অনুরোধ করেছেন তাঁদের ব্যক্তিগত পরিসরের প্রতি শ্রদ্ধাশীল থাকার জন্য এবং সন্তানের নিরাপত্তা বজায় রাখার জন্য সহযোগিতা করার। তিনি বলেন, “আমরা জানি কৌতূহল আছে, কিন্তু নির্দিষ্ট সীমা অতিক্রম করা উচিত নয়।”