‘বিয়ে মানেই দাড়ি পড়ে যাওয়া…’ বিয়ের কথা উঠতেই একি বলে বসলেন সোহেল!

টলিপাড়া বেশ কিছুদিন ধরেই সরগরম সোহেল দত্ত ও তিয়াসা লেপচার প্রেমের গুঞ্জনে। সম্পর্কের টানাপোড়েন কাটিয়ে ফের এক হয়েছেন দুজন। বিভিন্ন পার্টিতে হাতে হাত ধরে হাজির হচ্ছেন তাঁরা। তবে সম্প্রতি এক অনুষ্ঠানে বিয়ের প্রসঙ্গ উঠতেই বেফাঁস মন্তব্য করে বসলেন সোহেল।

শহরে আয়োজিত এক ক্রিকেট টুর্নামেন্টের জার্সি লঞ্চ ইভেন্টে একসঙ্গেই পৌঁছালেন সোহেল-তিয়াসা। সেখানেই বিয়ে নিয়ে প্রশ্ন করতেই সোহেল সোজাসাপটা বলে দেন, ‘ওকে কাজ করতে হবে, আমাকে কাজ করতে হবে। এখনও অনেক কিছু করা বাকি। বিয়ে মানেই দাড়ি পড়ে যাওয়া…।’

তাঁর এই মন্তব্যে উপস্থিত সকলে কিছুটা বিস্মিত হলেও তিয়াসা দ্রুত পরিস্থিতি সামলে নেন। তিনি বলেন, ‘বিয়ে মানেই তো দায়িত্ব বেড়ে যাওয়া। আরেকটি পরিবারকে ভালো রাখা, খুশি রাখা। আপাতত আমরা যতটা ক্যাজুয়ালি থাকতে পারছি, সেটাই ভালো।’ তবে সোহেল তখনই থামেননি। তিনি রসিকতা করে বলেন, ‘তিয়াসা খুব এক্সপেনসিভও! তাঁকে মেনটেন করার জন্য সেই লেভেলের হতে হবে। সেই জায়গায় পৌঁছনোর পরই ভাবনা চিন্তা করব।’

সোহেল-তিয়াসার প্রথম দেখা হয়েছিল জিমে। তিয়াসার সৌন্দর্য ও ব্যক্তিত্বে মুগ্ধ হয়ে যান সোহেল। প্রায় দু’বছর পর ফের অভিনয়ে ফিরেছেন সোহেল। বর্তমানে তিনি জনপ্রিয় ধারাবাহিক ‘মিত্তির বাড়ি’-তে নায়কের ভাইয়ের চরিত্রে অভিনয় করছেন। এর আগে কিছু সময় তিনি রাজনীতিতে মন দিয়েছিলেন।

অন্যদিকে, অভিনয়ের দুনিয়ায় অনেকটাই এগিয়ে গেছেন তিয়াসা। ‘কৃষ্ণকলি’, ‘বাংলা মিডিয়াম’-এর মতো সুপারহিট ধারাবাহিকে মুখ্য চরিত্রে অভিনয় করেছেন তিনি। বর্তমানে তাঁকে দেখা যাচ্ছে ‘রোশনাই’ ধারাবাহিকে লিড রোলে। তবে তাঁর অভিনয়জীবন শুরু হয়েছিল বিয়ের পর। খুব অল্প বয়সেই তিনি সুবানকে বিয়ে করেছিলেন। কিন্তু বছর দুই যেতে না যেতেই বিচ্ছেদের সিদ্ধান্ত নেন তাঁরা।

সুবানের সঙ্গে বিচ্ছেদের পর দীর্ঘদিন সিঙ্গেল ছিলেন তিয়াসা। অবশেষে সোহেলের সঙ্গে সম্পর্কে জড়ান তিনি। যদিও মাঝখানে কিছু মান-অভিমানের পর্ব চলেছিল, কিন্তু তা কেটে গিয়েছে।

তিয়াসা জানিয়েছেন, ‘আমরা এত ঝগড়া করেছি একসময়, যে এখন আর ঝগড়া করতে মন চায় না! এতবার সম্পর্ক ভেঙেছে, আবার জোড়া লেগেছে যে বুঝে গিয়েছি, আমরা একসঙ্গেই থাকব! ছেড়ে যাওয়া অসম্ভব!’ পাশাপাশি তিনি স্পষ্ট করে দিয়েছেন, বিয়েটা একেবারে ধুমধাম করেই করবেন। ‘আমরা লুকিয়ে বিয়ে করব না। সকলকে জানিয়েই হবে, জমিয়ে সাজুগুজু করে!’

ফলে তাঁদের বিয়ে কবে হবে, সে প্রশ্নের উত্তর এখনও অজানা। তবে এই মুহূর্তে তাঁরা নিজেদের কেরিয়ার ও সম্পর্ক, দুটোই সুন্দরভাবে এগিয়ে নিয়ে যেতে চান।