‘মা নেই, বাবা রুপোর থালায় খাবার সাজিয়ে ষষ্ঠী করেন’; বললেন গৌরব-ঋদ্ধিমা

গরমের দাবদাহেও জামাই ষষ্ঠীর উৎসাহ কমে না। তবে আধুনিক জীবনে খাওয়ার অভ্যাস ও রুচি অনেকটাই বদলে গেছে।আনন্দবাজার অনলাইন ঢুঁ মেরেছিল গৌরব চক্রবর্তী ও ঋদ্ধিমা ঘোষের রান্নাঘরে।রাজারহাটের একটি স্টুডিয়োতে জি বাংলার নতুন কুকারি শো ‘রন্ধনে বন্ধন’-এর রান্নাঘর।স্টুডিওতে ঝলমলে পরিবেশ, রান্নার সুবাস।ঋদ্ধিমা বোঁদের পায়েস বানাচ্ছেন, গৌরব সাহায্য করছেন।বাড়িতেও তারা এভাবেই রান্নাঘরে যুগলবন্দি।
ঋদ্ধিমা ও গৌরব প্রথমবার ছোট পর্দায় যুগল হিসেবে কাজ করছেন।ছেলে ধীর ছোট হওয়ায় ঋদ্ধিমা আগে রাজি হতে চাননি।তবে নতুন বিষয় শেখার সুযোগ ও দীর্ঘদিন কাজ থেকে দূরে থাকার পর ফিরে আসার আগ্রহ তাদের সিদ্ধান্ত বদলে দিয়েছে।
ঋদ্ধিমা স্মরণ করছেন, মা-ও তাদের জন্য জামাই ষষ্ঠীতে রকমারি পদ রান্না করতেন।গৌরব জানালেন, শাশুড়ি মা নেই, তবু শ্বশুরমশাই ঐতিহ্যবাহী খাবার রুপোর থালা-বাসনে পরিবেশন করেন।ঋদ্ধিমা-গৌরবের মতে, আজকাল উপহারের আদান-প্রদান হয় না, তবে ঘোষ বাড়িতে জামাই ষষ্ঠী উৎসবের আনন্দে কোনও ঘাটতি নেই।আন্তরিকতা ও সম্মানে জামাই ও মেয়ে সমান।
ঋদ্ধিমা বোঁদের পায়েস বানাচ্ছেন।স্টুডিওতে একটি মা-মেয়ে জোড়া মাটন রান্না করছিলেন।ঋদ্ধিমা ও গৌরবের বাড়িতে ঐতিহ্যবাহী খাবার পরিবেশন করা হয়।ঋদ্ধিমা ও গৌরবের রান্নাঘর ঐতিহ্য, আধুনিকতা ও যুগলবন্ধির এক অপূর্ব মেলবন্ধন। জামাই ষষ্ঠীর আনন্দ ও উৎসবের আবহ তাদের রান্নাঘরে স্পষ্ট।