কেন বাবা হতে পারেননি শুভাশিস? নিজের মুখে জানালেন অভিনেতা

শুভাশিস মুখোপাধ্যায় – একজন অভিনেতা যিনি কেবল তার অভিনয় দক্ষতা দিয়েই নয়, বরং ব্যক্তিগত জীবনের বিরলতার জন্যও দর্শকদের মনে দাগ কেটেছেন।

পর্দায় কমিক, ব্যক্তিজীবনে গম্ভীর:

দর্শক তাকে বেশিরভাগ ছবিতেই হাস্যরসাত্মক চরিত্রে দেখেছেন। কিন্তু আসলেই শুভাশিস একজন অত্যন্ত গম্ভীর ও প্রতিভাবান অভিনেতা। ‘হরবার্ট’ ও ‘মহালয়া’-র মতো চলচ্চিত্রে তার অভিনয় তার এই দিকটি স্পষ্ট করে তুলেছে।

মঞ্চ ও ছোট পর্দায়ও জয়:

শুভাশিস কেবল বড় পর্দাতেই সীমাবদ্ধ থাকেননি। তিনি মঞ্চ ও ছোট পর্দায়ও দর্শকদের মন জয় করেছেন।

সুখী वैवाहिक জীবন:

ব্যক্তিগত জীবনে শুভাশিস একজন অত্যন্ত সুখী মানুষ। তিনি বিবাহ করেছেন নাট্যজগতের আরেক প্রতিভাবান অভিনেত্রী ঈপ্সিতা মুখোপাধ্যায়কে।

শুভাশিস ও ঈপ্সিতার প্রথম দেখা ১৯৮৬ সালে, কলকাতার ম্যাক্সমুলার ভবনে একটি নাটকে অভিনয়ের সময়। সেখান থেকেই তাদের বন্ধুত্ব শুরু হয়, যা পরবর্তীতে প্রেমে রূপান্তরিত হয়।

শুভাশিস ও ঈপ্সিতার দীর্ঘ ৩৮ বছরের বিবাহ জীবনে একটি অপূর্ণতা রয়েছে – তাদের কোন সন্তান নেই। শুভাশিস TV9 বাংলাকে এক সাক্ষাৎকারে বলেছিলেন, “আমি সন্তানের বাবা হতে পারিনি তো কী আছে! এই নিয়ে আমার কোনও দুঃখ নেই। দিব্যি আছি আমি আর ঈশিতা।”

প্রতি বছর ৬ই মে শুভাশিস ও ঈপ্সিতা তাদের বিবাহবার্ষিকী পালন করেন। এই বিশেষ দিনে শুভাশিস তার স্ত্রীকে TV9 বাংলাকে বলেছিলেন, “আমি ভীষণ লাকি যে ঈপ্সিতাকে আমি স্ত্রী হিসেবে পেয়েছি। ওর সঙ্গে আমারই পথচলা দারুণ মধুর। জন্মান্তর বলে যদি কিছু সত্যিই থেকে থাকে, তাহলে আবারও ঈশিতাকেই আমি আমার স্ত্রী হিসেবে চাইব।”

শুভাশিস মুখোপাধ্যায় – একজন অভিনেতা, যিনি তার অভিনয়, ব্যক্তিগত জীবন ও দীর্ঘস্থায়ী वैवाहिक জীবনের মাধ্যমে অনুপ্রেরণা জোগান।