নির্বাচনের আগেই ঘরে ঘরে দেওয়া হয়েছে ব্যালট পেপার! চাঞ্চল্যকর অভিযোগ রায়গঞ্জে

পঞ্চায়েত নির্বাচনের আগে, রায়গঞ্জে শাসক দলের বিরুদ্ধে চাঞ্চল্যকর অভিযোগ উঠল। ঘরে ঘরে ব্যালট পেপার বিলি করার অভিযোগ বিরোধীদের। এ ছাড়া ভোটারদের তাদের ব্যালট পেপার সঙ্গে রাখতে বলা হয়েছে। উত্তর দিনাজপুর জেলা কংগ্রেস সভাপতি মোহিত সেনগুপ্ত দাবি করেছেন, নির্বাচনের দিন ভোটারদের সেই ব্যালট পেপার পকেটে রাখার আহ্বান জানানো হয়েছে। কায়দা করে তা বাক্সে ফেলে দিতেও বলেছে শাসকদলের লোকজন। রায়গঞ্জের বিধায়ক কৃষ্ণ কল্যাণী অভিযোগ অস্বীকার করেছেন, দাবি করেছেন যে পায়ের তলায় মাটি না খুঁজে পেয়ে এসব ষড়যন্ত্র চলছে। বিধায়ক আরও বলেন, গণতন্ত্রের উদযাপনকে কলঙ্কিত করার জন্য বিরোধীরা এসব বলছে। তবে এই অভিযোগ ঘিরে সরগরম রায়গঞ্জ। বিডিওর মতে, নির্দিষ্ট অভিযোগ পেলে তা তদন্ত করা হবে।

উত্তর দিনাজপুর জেলা কংগ্রেস সভাপতি মোহিত সেনগুপ্ত রবিবার রায়গঞ্জের সুভাষগঞ্জে সাংবাদিকদের সাথে মুখোমুখি হন। তিনি বলেন, তৃণমূলের কর্মকর্তারা ভোটের আগে ব্যালট বিতরণের জন্য দ্বারে দ্বারে গিয়েছিলেন। বলা হচ্ছে,জোড়াফুল প্রতীকে ছাপ দিয়ে ভোটের দিন যেন ব্যালট বাক্সে তা ফেলে দেওয়া হয়। কংগ্রেস নেতা বলেছেন, এই ভোটার জালিয়াতি কোনোভাবেই বরদাস্ত করা হবে না। তাই তারা রাজ্যপাল ও রাজ্য নির্বাচন কমিশনকে অভিযোগ জানাতে চিঠি দিয়েছে।

এই বিষয়ে কৃষ্ণা কল্যাণী বলেছেন: “কোনও ব্যালটই দেওয়া হচ্ছে না। এসব নমুনা ব্যালট। প্রার্থী বাড়ি বাড়ি গিয়ে নিজের প্রতীক চেনাচ্ছেন, কত নম্বরে নাম সেটা বলছেন। একজন ভোটার তিনজন প্রার্থীকে ভোট দেন। তাই তাঁদের দেখাতে হয় কীভাবে ভোটটা দিতে হয়। সরকারি ব্যালটে ব্যালট নম্বর থাকে। এখানে তা আছে কি না দেখুন। এসব বিভ্রান্তকর খবর ছড়ালেই হয় নাকি?” কৃষ্ণ কল্যাণীর মতে, বিরোধীরা জানে না নমুনা ব্যালট কী।

রায়গঞ্জ BDO শুভজিৎ মন্ডল বলেছেন, “আমরা দেখেছি ওই নম্বরের ব্যালট আমাদের কাস্টডিতেই আছে। পুলিশি নিরাপত্তা ও সিসিটিভির ঘেরাটোপেই আছে। যদি তদন্তের নির্দেশ আসে, নিশ্চয়ই খতিয়ে দেখা হবে।”