বেঁচে থাকলে বিজেপিকে সরাবই!’ ধরনামঞ্চে গর্জে উঠলেন মমতা, পুলিশি বাধার মুখেও হুঙ্কার!

পুলিশি বাধা, অনুমতিহীনতার অভিযোগ, আর ভাঙনের জল্পনা— সব প্রতিকূলতাকে দূরে ঠেলে ফের একবার চেনা মেজাজে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ধর্নামঞ্চে দাঁড়িয়েই বিজেপিকে উৎখাত করার চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দিলেন তৃণমূল সুপ্রিমো। মঙ্গলবার পুলিশের বাধার মুখে পড়ে মাইক ব্যবহারের অনুমতি না মিললেও, দমে যাননি তিনি। অগত্যা হ্যান্ড মাইক হাতেই গর্জে উঠলেন মমতা।
এদিন ধর্নামঞ্চে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উপস্থিতি ঘিরে ব্যাপক উত্তেজনা ছিল। অভিযোগ, প্রশাসন ও পুলিশের পক্ষ থেকে মাইক ব্যবহারের ক্ষেত্রে কড়া বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়েছিল। তবে সেই বাধা তৃণমূল নেত্রীকে আটকাতে পারেনি। হ্যান্ড মাইক হাতে নিয়ে সোজা সাপ্টা মমতার বার্তা, “বিজেপির স্বৈরাচার আর নয়। আমি বেঁচে থাকলে বিজেপিকে ক্ষমতা থেকে সরাবই!”
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, রাজ্যের শাসকদলের অন্দরে যখন ভাঙনের গুঞ্জন শোনা যাচ্ছে, ঠিক তখনই মমতার এই আক্রমণাত্মক অবস্থান দলের কর্মী-সমর্থকদের মনোবল ফেরানোর একটি কৌশল। পুলিশি বাধার প্রসঙ্গ টেনে এনে এদিন তিনি একদিকে যেমন সহানুভূতি আদায়ের চেষ্টা করেছেন, তেমনই বুঝিয়ে দিয়েছেন লড়াইয়ের ময়দানে তিনি একা নন।
মাইক না থাকলেও মমতার কন্ঠস্বরে এদিন ছিল স্পষ্ট ক্ষোভ। বিজেপির কেন্দ্রীয় নীতি এবং রাজ্যে তাদের প্রভাব বিস্তারের বিরুদ্ধে এদিন তিনি একের পর এক তোপ দাগেন। সব মিলিয়ে, এই ধর্না কর্মসূচি শুধুমাত্র প্রতিবাদের ভাষা নয়, বরং বিরোধী শিবিরকে কড়া বার্তা দেওয়ার মঞ্চ হয়ে উঠেছে। পুলিশের বাধা উপেক্ষা করে তাঁর এই ‘হ্যান্ড মাইক’ হুঙ্কার এখন বঙ্গ রাজনীতির আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে।