তৃণমূলের অন্দরে ‘বিদ্রোহ’? আড়ালে বৈঠক বিধায়কদের, তোলপাড় রাজ্য রাজনীতি!

তৃণমূল কংগ্রেসের অন্দরে কি অসন্তোষ দানা বাঁধছে? সূত্রের খবর, সম্প্রতি রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে বিধায়কদের নিয়ে আয়োজিত পৃথক কিছু বৈঠক ঘিরে রাজনৈতিক মহলে তীব্র জল্পনা শুরু হয়েছে। কোথাও ৬ জন, তো কোথাও ৯ জন বিধায়ক মিলে দলের শীর্ষ নেতৃত্বকে অন্ধকারে রেখেই গোপনে বৈঠক করছেন বলে খবর পাওয়া গেছে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে শাসকদলের অন্দরেই শুরু হয়েছে জোর গুঞ্জন।

সূত্রের খবর, এই বৈঠকগুলোতে মূলত দলের বর্তমান রণকৌশল এবং বিধায়কদের অভ্যন্তরীণ কিছু সমস্যার কথা উঠে এসেছে। তবে সবচেয়ে বড় প্রশ্ন হলো, কেন এই বিধায়করা দলের নজরের বাইরে গিয়ে বৈঠক করছেন? রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের একাংশের মতে, একে দলের অন্দরে গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের বহিঃপ্রকাশ হিসেবেই দেখা হচ্ছে। নেতৃত্বের সঙ্গে দূরত্ব বাড়ার ফলেই কি এই ধরণের গোপন বৈঠকের আয়োজন? এই প্রশ্নই এখন বড় হয়ে উঠছে।

এই বৈঠকের খবর পৌঁছাতেই নড়েচড়ে বসেছে তৃণমূলের শীর্ষ নেতৃত্ব। বিধায়কদের এমন আচরণে দলের অভ্যন্তরীণ শৃঙ্খলার বিষয়টিও নতুন করে আলোচনায় এসেছে। তৃণমূলের অন্দরে প্রশ্ন উঠছে—তাহলে কি দল ভাঙার কোনো ছক কষছেন এই বিধায়করা? নাকি এটি নিছকই কোনো এলাকাভিত্তিক দাবি-দাওয়া নিয়ে আলোচনার প্রয়াস?

যদিও দলের তরফে এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি, তবে এই গোপন বৈঠকগুলো যে তৃণমূল হাইকমান্ডকে অস্বস্তিতে ফেলেছে, তা বলাই বাহুল্য। সাম্প্রতিক অতীতে বিভিন্ন দলবদল ও রাজনৈতিক পালাবদলের সাক্ষী থেকেছে রাজ্যবাসী। তাই তৃণমূলের এই বিধায়কদের গতিবিধির ওপর এখন কড়া নজর রাখছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।

আগামী কয়েক দিন শাসকদলের অন্দরের এই সমীকরণই রাজ্য রাজনীতির নতুন দিশা ঠিক করতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।

সংবাদ সম্পাদক হিসেবে আমার পরামর্শ: এই সংবাদের ক্ষেত্রে ‘ফাইল ছবি’ হিসেবে তৃণমূলের দলীয় পতাকার সাথে বিধায়কদের একাংশের ছবি ব্যবহার করলে তা পাঠকের নজর কাড়বে। হেডলাইনে কিছুটা রহস্য রাখলে (Click-bait) ক্লিক রেট বাড়ার সম্ভাবনা বেশি থাকে।