পশ্চিমবঙ্গের ডিএ যখন সুপ্রিম কোর্টে, তখন পার্শ্ববর্তী রাজ্যে বড় চমক! ৫% ডিএ বাড়ালেন ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রী

পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য সরকারি কর্মীদের বকেয়া ডিএ (Dearness Allowance) মামলা যখন সুপ্রিম কোর্টে বিচারাধীন, তখন প্রতিবেশী রাজ্য ত্রিপুরার সরকারি কর্মচারীদের জন্য এল বিরাট সুখবর। সম্প্রতি মানিক সাহার সরকার এক ধাক্কায় ৫ শতাংশ মহার্ঘ্য ভাতা বৃদ্ধির ঘোষণা করেছে। এই সিদ্ধান্তের ফলে ত্রিপুরার সরকারি কর্মীদের ডিএ-র হার ৩৬ শতাংশ থেকে বেড়ে দাঁড়াল ৪১ শতাংশে।
কাদের কত লাভ?
ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রী মানিক সাহা জানিয়েছেন, এই ডিএ বৃদ্ধির ফলে রাজ্যের ১,০২,৫৬৩ জন সরকারি কর্মচারী এবং ৮১,০১৯ জন পেনশনভোগী সরাসরি উপকৃত হবেন। এই সিদ্ধান্তের জেরে রাজ্য সরকারের কোষাগার থেকে বছরে অতিরিক্ত ৫০০ কোটি টাকা ব্যয় হবে। মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মচারীদের সঙ্গে ব্যবধান কমানোর জন্য আমরা ক্রমাগত ডিএ বৃদ্ধির চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি।”
কেন্দ্রীয় হার ও অন্যান্য রাজ্য
চলতি বছরের এপ্রিল মাসেই কেন্দ্র সরকার ডিএ বৃদ্ধি করেছে। সেই পথ অনুসরণ করে উত্তরপ্রদেশ, তামিলনাড়ু, ওড়িশা, অরুণাচল প্রদেশ এবং বিহারের মতো বিভিন্ন রাজ্য ইতিমধ্যেই তাদের কর্মচারী ও পেনশনভোগীদের জন্য ডিএ ও ডিআর (Dearness Relief) বৃদ্ধির ঘোষণা করেছে। এবার সেই তালিকায় যুক্ত হলো ত্রিপুরা। বর্তমানে কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মচারীরা ৬০ শতাংশ হারে মহার্ঘ্য ভাতা পাচ্ছেন। অর্থাৎ, কেন্দ্রীয় ও ত্রিপুরা রাজ্য সরকারি কর্মীদের ডিএ-র মধ্যে এখনও ১৯ শতাংশের পার্থক্য রয়ে গেছে।
পশ্চিমবঙ্গের পরিস্থিতির দিকে নজর
পশ্চিমবঙ্গে নতুন সরকার গঠনের পর কেন্দ্রীয় হারে ডিএ-র দাবিতে সরব হয়েছেন সরকারি কর্মচারীদের একাংশ। তাদের মামলা সুপ্রিম কোর্টে বিচারাধীন। ডিএ নিয়ে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর পরবর্তী পদক্ষেপ বা বৈঠকের দিকেই এখন তাকিয়ে রয়েছেন রাজ্যের সরকারি কর্মীরা। পার্শ্ববর্তী রাজ্যের এই ডিএ বৃদ্ধির খবর স্বাভাবিকভাবেই এ রাজ্যের সরকারি কর্মীদের মধ্যে নতুন করে আলোচনার সূত্রপাত করেছে।