মধ্যপ্রাচ্যে শান্তির আশা! ওয়াশিংটন-তেহরান ঐতিহাসিক চুক্তির দোরগোড়ায়, ট্রাম্পের বড় ঘোষণা

পশ্চিম এশিয়ার যুদ্ধ পরিস্থিতির অবসান ঘটিয়ে এক ঐতিহাসিক কূটনৈতিক মোড়ের পথে আমেরিকা ও ইরান। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছেন, দীর্ঘ সংঘাতের পর দুই দেশ এখন একটি শান্তি চুক্তির ‘খুব কাছাকাছি’ পৌঁছে গিয়েছে। এই খবর যখন বিশ্বজুড়ে আলোচনার কেন্দ্রে, ঠিক তখনই ওয়াশিংটনে হোয়াইট হাউসের বাইরে ঘটে গেল এক চাঞ্চল্যকর গুলির ঘটনা।

চুক্তি নিয়ে বড় অগ্রগতি:
প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সাম্প্রতিক দাবি অনুযায়ী, ইরান ও আমেরিকার মধ্যে সম্ভাব্য শান্তি চুক্তির মূল শর্তাবলি প্রায় চূড়ান্ত। এই চুক্তির আওতায় হরমুজ প্রণালি পুনরায় খুলে দেওয়া এবং তেহরানের উচ্চমাত্রায় সমৃদ্ধ ইউরেনিয়ামের ভাণ্ডার ত্যাগের মতো বিষয়গুলো অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। হোয়াইট হাউস সূত্রের খবর, মধ্যপ্রাচ্যের একাধিক মিত্র দেশের সঙ্গে আলোচনার পর এই ‘মেমোরেন্ডাম অফ আন্ডারস্ট্যান্ডিং’ বা শান্তি স্মারক চূড়ান্ত করার কাজ চলছে। তবে ইরান এখনো চূড়ান্ত সিলমোহর দেওয়ার আগে বেশ কিছু শর্ত নিয়ে সতর্কবার্তা দিয়েছে।

হোয়াইট হাউসের বাইরে আতঙ্কের মুহূর্ত:
শান্তি আলোচনার এমন এক সন্ধিক্ষণে, স্থানীয় সময় শনিবার সন্ধ্যায় হোয়াইট হাউসের নিরাপত্তা বলয়ের বাইরে আকস্মিক গুলির শব্দে কেঁপে ওঠে ওয়াশিংটন। সিক্রেট সার্ভিস সূত্রে জানা গেছে, এক বন্দুকধারী হোয়াইট হাউসের নিরাপত্তা চৌকিতে ঢুকে গুলি চালানোর চেষ্টা করলে নিরাপত্তারক্ষীরা পাল্টা গুলি ছোড়েন।

ঘটনার বিবরণ: সিক্রেট সার্ভিসের গুলিতে ওই বন্দুকধারী নিহত হয়েছেন। ঘটনাটিতে একজন পথচারীও আহত হয়েছেন।

প্রেসিডেন্টের অবস্থা: ঘটনার সময় প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প হোয়াইট হাউসের ভেতরেই ছিলেন। সিক্রেট সার্ভিসের দ্রুত হস্তক্ষেপে প্রেসিডেন্ট সম্পূর্ণ নিরাপদ রয়েছেন।

নিরাপত্তা লকডাউন: পরিস্থিতি সামাল দিতে কিছুক্ষণের জন্য হোয়াইট হাউসে ‘লকডাউন’ জারি করা হয়েছিল, যা পরে তুলে নেওয়া হয়।

এই দুই ঘটনা—একদিকে শান্তি চুক্তির সম্ভাবনা এবং অন্যদিকে হোয়াইট হাউসের নিরাপত্তা বিঘ্নিত হওয়ার ঘটনা—আন্তর্জাতিক মহলে বড় উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। শান্তি আলোচনা সফল হলে তা বিশ্ব অর্থনীতি ও মধ্যপ্রাচ্যের নিরাপত্তার ক্ষেত্রে বড় পরিবর্তন নিয়ে আসবে বলে আশা করছেন বিশ্লেষকরা।