দিল্লিতে বড় চমক! বঙ্গভবনের করিডরে মুখোমুখি শুভেন্দু-ঋতব্রত, তুঙ্গে জল্পনা।

রাজনীতির ময়দানে যারা একে অপরের কট্টর বিরোধী, দিল্লির বঙ্গভবনের করিডরে তাদের এমন মুখোমুখি সাক্ষাৎ সচরাচর দেখা যায় না। শুক্রবার দিল্লির বঙ্গভবনের বারান্দায় হঠাৎই একে অপরের মুখোমুখি হলেন বিজেপির বিধায়ক শুভেন্দু অধিকারী এবং তৃণমূলের রাজ্যসভার সাংসদ ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়। এই বিরল ছবি দেখেই শুরু হয়েছে রাজনৈতিক মহলে নানামুখী চর্চা।
কী ঘটেছিল বঙ্গভবনে? সূত্রের খবর, এদিন কোনো এক দাপ্তরিক কাজে বঙ্গভবনে উপস্থিত ছিলেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। কাকতালীয়ভাবে সেই সময়েই সেখানে ছিলেন তৃণমূলের সাংসদ ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়। করিডরে দুই নেতাকে মুখোমুখি হতে দেখেই সেখানে উপস্থিত ব্যক্তিদের মধ্যে শোরগোল পড়ে যায়। দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বী হওয়ার পরেও, দুই নেতা সৌজন্য বিনিময় করেন কি না, তা নিয়ে আগ্রহ তুঙ্গে।
কী কথা হল দুই নেতার? ঘনিষ্ঠ সূত্রের খবর, করিডরে দেখা হতেই দুই নেতার মধ্যে খুব অল্প সময়ের জন্য কথা হয়। তবে সেই আলোচনা কোনো রাজনৈতিক বা গুরুত্বপূর্ণ ইস্যু নিয়ে নয়, বরং নিছকই ‘সৌজন্যমূলক’ ছিল বলেই দাবি করা হয়েছে। দুই নেতা কুশল বিনিময় করেই নিজ নিজ গন্তব্যের দিকে এগিয়ে যান।
তবে রাজনীতির কারবারিরা মনে করছেন, দিল্লির মতো জায়গায়, যেখানে বিরোধী দলের নেতা এবং শাসক দলের সাংসদ প্রায়শই একে অপরের বিরুদ্ধে সুর চড়ান, সেখানে এমন শান্ত ও সৌজন্যমূলক সাক্ষাৎ যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ। এর আগেও বিভিন্ন সময় বিরোধী ও শাসক শিবিরের নেতাদের এমন ব্যক্তিগত সৌজন্যের ছবি সামনে এসেছে, যা নিয়ে পরে নানা রাজনৈতিক সমীকরণের ইঙ্গিত পাওয়ার চেষ্টা করেছে বিভিন্ন মহল।
এই সাক্ষাতের পর আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো পক্ষই কোনো মন্তব্য করেনি। তবে এই ‘ভিআইপি’ সাক্ষাৎ নিয়ে বঙ্গভবনের অন্দরে যে বাড়তি আলোচনা চলছে, তা বলাই বাহুল্য।
এই বিষয়টি কি রাজনৈতিক কোনো নতুন সমীকরণের ইঙ্গিত হতে পারে বলে আপনি মনে করেন?