টার্গেট সিন্ধু পারের দুষ্কৃতীরা! রাশিয়ার ‘ভয়ঙ্কর’ মিসাইল সিস্টেম আসছে ভারতে, কেন ঘুম উড়েছে পাকিস্তান ও চীনের?

ভারতীয় আকাশসীমায় শত্রুপক্ষের যে কোনো আস্ফালন রুখে দিতে এবার চূড়ান্ত অস্ত্র নামাচ্ছে মোদী সরকার। দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান ঘটিয়ে আগামী মে মাসেই ভারত হাতে পেতে চলেছে রাশিয়ার তৈরি চতুর্থ S-400 ‘ট্রায়াম্ফ’ (Triumf) মিসাইল ডিফেন্স সিস্টেম। প্রতিরক্ষা দফতর সূত্রে খবর, যুদ্ধের বাজারেও কোনো বাধা মানেনি ভারত-রাশিয়া বন্ধুত্ব; জাহাজ বোঝাই হয়ে ভারতের পথে রওনা দিয়েছে এই ঘাতক অস্ত্র।
🛡️ কেন এই S-400 ভারতের জন্য ‘গেম-চেঞ্জার’?
সম্প্রতি পাকিস্তান ও চীন সীমান্তে মোতায়েন হওয়া আগের তিনটি ইউনিটের অভাবনীয় সাফল্য দেখেছে বিশ্ব। বিশেষ করে ভারতের সাম্প্রতিক আকাশ মহড়াগুলোতে এই মিসাইল সিস্টেমের নিখুঁত লক্ষ্যভেদ নজর কেড়েছে প্রতিরক্ষা বিশেষজ্ঞদের। এবার চতুর্থ ইউনিটটি আসার অর্থ হলো— সীমান্ত থেকে কয়েক হাজার কিলোমিটার দূর থেকেই শত্রুর ড্রোন, যুদ্ধবিমান বা ব্যালেস্টিক মিসাইলকে আকাশে থাকতেই ধুলোয় মিশিয়ে দেওয়া।
🛰️ নজরে সিন্ধুর ওপার: কোথায় বসবে এই নতুন ইউনিট?
প্রতিরক্ষা বিশেষজ্ঞদের মতে, এই চতুর্থ ইউনিটটি এমন কোনো কৌশলগত অবস্থানে বসানো হবে যেখান থেকে সিন্ধু নদ সংলগ্ন এলাকা এবং পশ্চিম সীমান্তের গভীর ভেতরেও নজরদারি চালানো যাবে।
-
৪০০ কিমি রেঞ্জ: এটি ৪০০ কিলোমিটার দূর থেকেই যে কোনো আকাশপথের হুমকি শনাক্ত করতে পারে।
-
একাধিক লক্ষ্যভেদ: একসাথে ৩৬টি লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানতে সক্ষম এই সিস্টেম।
-
অদৃশ্য শত্রু শনাক্তকরণ: এটি স্টিলথ যুদ্ধবিমানকেও রাডারে ধরতে পারে, যা চীন ও পাকিস্তানের জন্য বড় মাথাব্যথার কারণ।
📊 ‘অপারেশন সিন্দুর’ ও পরবর্তী লক্ষ্য
ভারতের প্রতিরক্ষা মন্ত্রক ইতিমধ্যেই এই সিস্টেমের কর্মক্ষমতায় সন্তুষ্ট হয়ে অতিরিক্ত ৫টি ইউনিট কেনার সবুজ সংকেত দিয়েছে। ইউক্রেন যুদ্ধের কারণে সরবরাহে সাময়িক দেরি হলেও, মে মাসে এই ডেলিভারি ভারতের বায়ুসেনার শক্তি কয়েক গুণ বাড়িয়ে দেবে।
আমেরিকার নিষেধাজ্ঞা বা ভূ-রাজনৈতিক চাপকে একপাশে সরিয়ে রেখে ‘ভারত প্রথম’ নীতিতে অটল থেকেছে নয়াদিল্লি। চতুর্থ S-400-এর আগমনে ভারতের আকাশ যে এবার সত্যিই দুর্ভেদ্য হয়ে উঠল, তা বলাই বাহুল্য।