হঠাৎ সক্রিয় পুলিশ, মোড়ে মোড়ে নাকা তল্লাশিতে খোদ হেভিওয়েট কর্তারা! কী ঘটতে চলেছে শহরে?

বেজে গিয়েছে ভোটের দামামা। আর নির্বাচনের দিনক্ষণ ঘোষণার পর থেকেই নিরাপত্তার চাদরে মুড়ে ফেলা হচ্ছে শহরকে। সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এবং কোনো রকম অপ্রীতিকর ঘটনা রুখতে এবার কোমর বেঁধে নেমেছে প্রশাসন। শুধু সাধারণ পুলিশকর্মী বা কনস্টেবল নয়, রাতের শহরে সরাসরি রাজপথে নজরদারিতে নেমেছেন খোদ আইপিএস (IPS) পদমর্যাদার উচ্চপদস্থ আধিকারিকরা।

রাতের শহরে নাকা তল্লাশিতে কড়াকড়ি শহরের প্রতিটি গুরুত্বপূর্ণ মোড় এবং প্রবেশপথে বসানো হয়েছে বিশেষ নাকা চেকিং পয়েন্ট। সন্দেহভাজন কোনো গাড়ি বা ব্যক্তি গেলেই চালানো হচ্ছে তল্লাশি। রাত বাড়লেই আইপিএস আধিকারিকদের নেতৃত্বে এই নাকা তল্লাশি আরও জোরদার করা হচ্ছে। উদ্দেশ্য একটাই—অবৈধ আগ্নেয়াস্ত্র, মাদক কিংবা নগদ টাকার লেনদেন রোখা।

বাড়ানো হয়েছে পেট্রোলিং নিরাপত্তা কেবল নাকা চেকিংয়েই সীমাবদ্ধ নেই। লালবাজার সূত্রে খবর, শহরজুড়ে পুলিশের পেট্রোলিং বা টহলদারি বহুগুণ বাড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। অলিগলি থেকে শুরু করে রাজপথ, সর্বত্রই পুলিশের গাড়ি নজরদারি চালাচ্ছে। বিশেষ করে স্পর্শকাতর এলাকাগুলোতে বাড়ানো হয়েছে নজরদারি।

প্রশাসনের কড়া বার্তা পুলিশের এই সক্রিয়তা দেখে স্পষ্ট যে, নির্বাচনের আগে সামান্যতম বিশৃঙ্খলাও বরদাস্ত করবে না কমিশন ও স্থানীয় প্রশাসন। ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের তদারকিতে এই বিশেষ অভিযানে সাধারণ মানুষের মনে যেমন ভরসা ফিরছে, তেমনি অসাধু চক্রের কপালে চিন্তার ভাঁজ পড়েছে।