৮ম বেতন কমিশন: পোর্টালে বিভ্রাট! সময়সীমা বাড়ানো নিয়ে বড় আপডেট, দুশ্চিন্তায় কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মীরা

কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মচারীদের বহুল প্রতীক্ষিত অষ্টম বেতন কমিশন (8th Pay Commission) নিয়ে তৈরি হয়েছে নতুন জটিলতা। কমিশনের অফিসিয়াল পোর্টালে ব্যাপক প্রযুক্তিগত ত্রুটির কারণে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে স্মারকলিপি জমা দিতে পারছেন না কর্মচারী সংগঠনগুলো। এই পরিস্থিতিতে জমা দেওয়ার শেষ তারিখ এক মাস পিছিয়ে দেওয়ার জোরালো দাবি উঠেছে।

পোর্টালে যান্ত্রিক গোলযোগ, বিপাকে সংগঠনগুলি

ন্যাশনাল কাউন্সিল (NC-JCM) এবং অল ইন্ডিয়া ডিফেন্স এমপ্লয়িজ ফেডারেশন (AIDEF)-এর মতো বড় সংগঠনগুলো অভিযোগ করেছে যে, গত নয় দিন ধরে চেষ্টা করেও তারা পোর্টালে তথ্য আপলোড করতে পারছে না।

  • সমস্যা: উত্তরগুলো ১০,০০০ অক্ষরের কম হওয়া সত্ত্বেও পোর্টাল তা গ্রহণ করছে না।

  • বিকল্প পথ: বাধ্য হয়ে অনেক সংগঠন ইমেলের মাধ্যমে সদস্য সচিব এবং পরিচালকের কাছে নথিপত্র পাঠাচ্ছে।

  • দাবি: NC-JCM-এর সদস্য সচিব পঙ্কজ জৈন অবিলম্বে পোর্টালটিকে ব্যবহারকারী-বান্ধব করা এবং একটি নির্দেশিকা (SOP) জারির অনুরোধ জানিয়েছেন।

সময়সীমা কি বাড়বে?

বর্তমানে স্মারকলিপি জমা দেওয়ার শেষ তারিখ ৩০ এপ্রিল, ২০২৬। তবে এনসি-জেসিএম এবং এআইডিইএফ দাবি জানিয়েছে যে, এই সময়সীমা বাড়িয়ে ৩১ মে, ২০২৬ করা হোক। তাদের যুক্তি, প্রযুক্তিগত সমস্যার কারণে সারা দেশের পেনশনভোগী এবং কর্মচারী সমিতিগুলো নথি আপলোড করতে হিমশিম খাচ্ছে।

তবে, অষ্টম বেতন কমিশন তাদের বর্তমান অবস্থানে অনড়। কমিশনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ৩০ এপ্রিলের সময়সীমা আপাতত বহাল থাকছে। যারা ব্যক্তিগতভাবে দেখা করতে চান, তাদের ২০ এপ্রিলের মধ্যেই নথি জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

১১ মে-র মেগা বৈঠক

আগামী ১১ মে, ২০২৬ (সোমবার) নয়াদিল্লির ক্যাবিনেট সচিবালয়ে জাতীয় পরিষদের (JCM) ৪৯তম গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক অনুষ্ঠিত হতে চলেছে। ক্যাবিনেট সচিবের সভাপতিত্বে এই বৈঠকে বেতন কাঠামো সংশোধন এবং কর্মচারীদের প্রস্তাবিত বিষয়গুলো নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হবে।

কর্মচারীদের প্রধান দাবিগুলি:

১. পোর্টালের প্রযুক্তিগত ত্রুটি দ্রুত সমাধান। ২. ইমেলের মাধ্যমে (PDF ও Word ফরম্যাটে) স্মারকলিপি গ্রহণ। ৩. সময়সীমা অন্তত এক মাস বৃদ্ধি।

এক নজরে বর্তমান স্ট্যাটাস:

  • ডেডলাইন: ৩০ এপ্রিল, ২০২৬ (এখনও অপরিবর্তিত)।

  • প্রস্তাবিত বেতন: ন্যূনতম বেতন ১৮,০০০ থেকে বাড়িয়ে ৬৯,০০০ টাকা করার সুপারিশ নিয়ে জল্পনা।

  • কার্যকর: ২০২৭-এর শুরু থেকেই বর্ধিত বেতন মেলার সম্ভাবনা।