“কাল হবে গণতন্ত্রের উৎসব!” নন্দীগ্রামের বুথে বুথে গিয়ে কর্মীদের কী টোটকা দিলেন শুভেন্দু অধিকারী?

উত্তাপ বাড়ছে রাজনীতির ময়দানে, কিন্তু ভোট শুরুর কয়েক ঘণ্টা আগে একেবারে খোশমেজাজে দেখা গেল রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীকে। নিজের খাসতালুক নন্দীগ্রামে দাঁড়িয়ে ভোটারদের উদ্দেশে তিনি দিলেন এক বিশেষ বার্তা— “আগে ভোটদান, তারপর জলপান!” গণতন্ত্রের উৎসবে শামিল হওয়ার জন্য তাঁর এই ডাক এখন জেলার গণ্ডি ছাড়িয়ে গোটা রাজ্যে ভাইরাল।

ভোটের আগের মেজাজ

বৃহস্পতিবার প্রথম দফার হাই-ভোল্টেজ নির্বাচন। আর তার ঠিক আগের দিন বুধবার বিকেলে নন্দীগ্রামের বিভিন্ন এলাকায় ঘুরে বেড়ালেন বিজেপি প্রার্থী শুভেন্দু অধিকারী। কোথাও চায়ের দোকানে আড্ডা, আবার কোথাও সাধারণ মানুষের সঙ্গে জনসংযোগ— সব মিলিয়ে বেশ ফুরফুরে মেজাজে দেখা গেল তাঁকে। কর্মীদের মনোবল বাড়াতে তিনি সাফ জানিয়ে দিলেন, “ভোটের দিন সকাল সকাল গণতান্ত্রিক অধিকার প্রয়োগ করতে হবে।”

প্রতিবেদনের মূল আকর্ষণসমূহ:

  • নয়া স্লোগান: ‘আগে ভোটদান, তারপর জলপান’— শুভেন্দুর এই স্লোগানটি ভোটারদের বুথমুখী করার এক কৌশলী বার্তা বলে মনে করছে রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।

  • কর্মীদের টোটকা: বুথে বুথে গিয়ে এজেন্ট ও কর্মীদের কোনো ভয় না পাওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন তিনি। শান্তি বজায় রেখে ভোট উৎসব পালনের কথা বলেছেন।

  • বিজেপির আত্মবিশ্বাস: বিরোধী দলনেতার এই আত্মবিশ্বাসী মেজাজ গেরুয়া শিবিরে বড় অক্সিজেন জোগাচ্ছে।

কেন এই মেজাজ তাৎপর্যপূর্ণ?

২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনে নন্দীগ্রাম থেকেই মমতাকে হারিয়েছিলেন শুভেন্দু। ২০২৬-এর এই মহাযুদ্ধেও নিজের গড় রক্ষায় তিনি যে কতটা আত্মবিশ্বাসী, তা তাঁর এই খোশমেজাজ থেকেই স্পষ্ট। বিরোধীদের নানা চাপের মুখেও শুভেন্দুর এমন শান্ত ভঙ্গি কর্মীদের এক বিশেষ বার্তা দিচ্ছে— “রণক্ষেত্র তৈরি, এবার শুধু রেজাল্টের অপেক্ষা।”

নন্দীগ্রামের মানুষ শুভেন্দুর এই ডাকে সাড়া দিয়ে কাল কতটা ভিড় করেন বুথে, সেটাই এখন দেখার বিষয়।