“ইশারাই কাফি, একটু নাড়ু করে পাঠাব!” তারকেশ্বর থেকে বিজেপিকে চরম হুঁশিয়ারি মমতার, শোরগোল রাজনৈতিক মহলে!

বিধানসভা ভোটের দামামা বাজতেই ফের স্বমেজাজে তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। রবিবার তারকেশ্বরের জনসভা থেকে বিজেপিকে এক হাত নিলেন তিনি। আক্রমণ, পাল্টা আক্রমণ আর তীক্ষ্ণ কটাক্ষে ভরা তাঁর বক্তৃতায় উঠে এল ‘নাড়ু’ থেকে ‘গদ্দার’ প্রসঙ্গ।

“মিষ্টি ও নাড়ু পাঠাব!”

এদিন মঞ্চ থেকে সরাসরি বিজেপি নেতাদের টার্গেট করেন মুখ্যমন্ত্রী। কেন্দ্রীয় এজেন্সির অতিসক্রিয়তার অভিযোগ তুলে তিনি বলেন, “যারা যারা অত্যাচার করেছে, তাদের নাম-ঠিকানা রেখে দিন। ভোটের পর আমরা ওদের একটু মিষ্টি পাঠাব। ইশারাই কাফি! একটু নাড়ু করে পাঠাব।” রাজনৈতিক মহলের মতে, ‘নাড়ু পাঠানো’র এই রূপক মন্তব্যের মাধ্যমে আসলে এক গভীর রাজনৈতিক হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তৃণমূল নেত্রী।

‘গদ্দার’ ও এজেন্সি নিয়ে তোপ

বিরোধী দলনেতাকে সরাসরি আক্রমণ করে মমতা প্রশ্ন তোলেন, কেন বেছে বেছে তৃণমূলের বাড়িতেই হানা দিচ্ছে এজেন্সি? তাঁর কথায়:

  • “সবচেয়ে বড় চোর তো গদ্দার! তাঁর বাড়ি কেন রেড হবে না? তাঁর ভাই বা বাবার বাড়িতে কেন তল্লাশি হবে না?”

  • নয়ডার পরিস্থিতি নিয়ে প্রশ্ন তুলে তিনি বলেন, “নয়ডাতে আগুন জ্বলছে! ওখানকার ডিএম কে? খোঁজ নিয়ে দেখুন।” * মুখ্যমন্ত্রীর সাফ কথা, চালাকি করে কোনো মহৎ কাজ হয় না, ধর্মের কল বাতাসে নড়বেই।

ভোটারদের বিশেষ সতর্কতা: “রাবড়ি-চা খাবেন না”

ভোটের দিন মা-বোনেদের উদ্দেশে একগুচ্ছ সতর্কবার্তা দিয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ইভিএম এবং ভিভিপ্যাট মেশিন ভালো করে চেক করার পরামর্শ দেওয়ার পাশাপাশি তিনি বলেন:

“ওরা আমাদের এলাকায় মেশিন খারাপ করার চেষ্টা করবে। কাউন্টিংয়ে নজর রাখতে হবে। কেউ যেন ঘুষ খেয়ে বিক্রি না হয়। ওরা (বিজেপি) যদি রাবড়ি বা চা নিয়ে আসে, খবরদার খাবেন না! নিজের ঘরের খাবার সাথে করে নিয়ে যাবেন।”

Samrat Das
  • Samrat Das