“৫ তারিখ পর্যন্ত মন ভরে খান আর ঘুমান!” মমতাকে নজিরবিহীন কটাক্ষ শুভেন্দুর, তোলপাড় ভবানীপুর

ভবানীপুর উপনির্বাচন ঘিরে বাংলার রাজনীতিতে উত্তেজনার পারদ এখন তুঙ্গে। একদিকে খোদ তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, অন্যদিকে বিজেপির হাই-প্রোফাইল প্রার্থী শুভেন্দু অধিকারী— এই ‘হেভিওয়েট’ লড়াইয়ে এবার ব্যক্তিগত আক্রমণের ধার বাড়ালেন নন্দীগ্রামের জয়ী বিধায়ক। দুর্গাপুরে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে লক্ষ্য করে তীব্র কটাক্ষ ছুঁড়ে দিলেন শুভেন্দু।
“৫ মে পর্যন্ত সময় আছে!”
ভবানীপুরে প্রচারের রণকৌশল এবং জয়ের সম্ভাবনা নিয়ে প্রশ্ন করা হলে মেদিনীপুরের ভূমিপুত্র অত্যন্ত আত্মবিশ্বাসী মেজাজে ধরা দেন। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে উদ্দেশ্য করে তিনি বলেন,
“বেশি করে খাওয়াদাওয়া করুন, আর বেশি করে ঘুমান। হাতে ৫ মে পর্যন্ত সময় আছে।”
রাজনৈতিক মহলের মতে, শুভেন্দু ইঙ্গিতে বোঝাতে চেয়েছেন যে নির্বাচনের ফলাফল প্রকাশের পর তৃণমূল নেত্রীর সময় ভালো যাবে না। ৫ মে-র পর তাঁর রাজনৈতিক পরিস্থিতি বদলে যাবে বলেই সরাসরি হুঁশিয়ারি দিয়েছেন বিজেপি প্রার্থী।
ভবানীপুরে সম্মুখ সমর
শুভেন্দু অধিকারীর এই মন্তব্যকে ঘিরে ইতিমধ্যেই রাজনৈতিক বিতর্ক শুরু হয়েছে। তৃণমূল শিবির থেকে এই মন্তব্যের তীব্র প্রতিবাদ জানিয়ে বলা হয়েছে, পরাজয় নিশ্চিত বুঝেই শুভেন্দু এখন শিষ্টাচার হারিয়ে ব্যক্তিগত আক্রমণ করছেন।
উল্লেখ্য: ভবানীপুর উপনির্বাচন কেবল একটি জয়-পরাজয়ের লড়াই নয়, এটি বাংলার দুই প্রধান রাজনৈতিক শক্তির সম্মানের লড়াই হয়ে দাঁড়িয়েছে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের জয়ের ব্যাপারে তৃণমূল যেমন আত্মবিশ্বাসী, তেমনই শুভেন্দু বারবার দাবি করছেন, নন্দীগ্রামের মতো ভবানীপুরেও তিনি পদ্ম ফোটাবেন।
দুর্গাপুরের এই মন্তব্যের পর ভবানীপুরের নির্বাচনী ময়দান যে আরও তপ্ত হয়ে উঠল, তা বলাই বাহুল্য। এখন দেখার, শুভেন্দুর এই ‘খাওয়া-দাওয়ার পরামর্শ’ নিয়ে ঘাসফুল শিবির ঠিক কী প্রতিক্রিয়া দেয়।