বিজেপির মাস্টারস্ট্রোক! নীতিন নবীন এখন উচ্চকক্ষে, বিহারে প্রথম বিজেপি মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে ইতিহাস গড়লেন সম্রাট!

জাতীয় ও আঞ্চলিক রাজনীতিতে এক বড়সড় পরিবর্তনের সাক্ষী থাকল দেশ। একদিকে বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি নীতিন নবীন রাজ্যসভার সাংসদ হিসেবে শপথ নিলেন, অন্যদিকে বিহারে দীর্ঘ এক দশকের ‘নীতীশ-শাসন’ শেষ করে নতুন মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে যাত্রা শুরু করলেন সম্রাট চৌধুরী।
রাজ্যসভায় নীতিন নবীন
বৃহস্পতিবার সংসদ ভবনে উচ্চকক্ষের সদস্য হিসেবে শপথ নিলেন নীতিন নবীন। সংসদ চত্বরে তাঁকে উষ্ণ অভ্যর্থনা জানান বিজেপি সাংসদ অরুণ সিং। ছাত্র রাজনীতি থেকে উঠে আসা নীতিন নবীন ২০০৬ সাল থেকে বিহার বিধানসভায় টানা পাঁচবার বিধায়ক নির্বাচিত হয়েছেন। কেন্দ্রীয় স্তরে দলের গুরুদায়িত্ব পালনের পাশাপাশি এবার সংসদের উচ্চকক্ষেও বিজেপির অন্যতম সেনাপতি হিসেবে দেখা যাবে তাঁকে।
বিহারে ঐতিহাসিক পরিবর্তন: সম্রাট চৌধুরীর অভিষেক
বিহারের রাজনীতিতে বুধবার এক ঐতিহাসিক মুহূর্ত রচিত হয়েছে। নীতীশ কুমারের উত্তরসূরি হিসেবে বিহারের নতুন মুখ্যমন্ত্রী পদে শপথ নিলেন বিজেপি নেতা সম্রাট চৌধুরী। রাজভবনের পরিবর্তে পাটনার লোক ভবনে তাঁকে শপথবাক্য পাঠ করান রাজ্যপাল সৈয়দ আতা হাসনাইন।
প্রথম বিজেপি মুখ্যমন্ত্রী: নীতীশ কুমারের পদত্যাগের পর সম্রাট চৌধুরীই হলেন বিহারের প্রথম বিজেপি মুখ্যমন্ত্রী।
নীতীশের বিদায়: দীর্ঘ এক দশকেরও বেশি সময় মুখ্যমন্ত্রী থাকার পর নীতীশ কুমার এবার রাজ্যসভায় যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।
চ্যালেঞ্জ: ২০২৫-এর নির্বাচনে এনডিএ-র ঐতিহাসিক জয়ের পর ১০ বারের মুখ্যমন্ত্রী নীতীশ কুমারের যোগ্য উত্তরসূরি হওয়া ৫৭ বছর বয়সী সম্রাটের কাছে এক বিরাট চ্যালেঞ্জ।
জোটের ভারসাম্য ও নতুন মন্ত্রিসভা
শুধুমাত্র মুখ্যমন্ত্রী নন, জোটে ভারসাম্য বজায় রাখতে জেডিইউ (JDU) থেকেও গুরুত্বপূর্ণ মুখ নেওয়া হয়েছে। বিহারের অর্থমন্ত্রী তথা প্রবীণ নেতা বিজেন্দ্র প্রসাদ যাদব এবং বিজয় কুমার চৌধুরী রাজ্যের উপমুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছেন।
নীতীশ কুমারের “সুশাসন” যুগের অবসানের পর সম্রাট চৌধুরীর নেতৃত্বে বিহারে এনডিএ-র এই নতুন ইনিংস রাজ্যের উন্নয়ন ও রাজনীতিতে নতুন কী মাত্রা যোগ করে, সেদিকেই তাকিয়ে রাজনৈতিক মহল।