লোডশেডিংয়ের ভয় নেই! ২০০ মিলিয়ন টন কয়লা হাতে রেখে দেশবাসীকে আশ্বস্ত করল সরকার

প্রচণ্ড গরম আর এসি-র দাপটে প্রতি বছরই গ্রীষ্মকালে বিদ্যুৎ বিভ্রাটের আশঙ্কায় ভোগেন দেশবাসী। তবে ২০২৬-এর এই দহনবেলায় ভারতবাসীকে বড়সড় স্বস্তির বার্তা দিলেন কেন্দ্রীয় কয়লা ও খনি মন্ত্রী জি. কিষাণ রেড্ডি। সোমবার তিনি স্পষ্ট জানিয়েছেন, দেশে বর্তমানে ২০০ মিলিয়ন টনেরও বেশি কয়লার মজুত রয়েছে, যা আগামী ৯০ দিনের বিদ্যুৎ কেন্দ্র এবং অন্যান্য শিল্পের চাহিদা মেটানোর জন্য যথেষ্ট। ফলে এই গ্রীষ্মে বিদ্যুৎ সংকটের কোনো সম্ভাবনাই নেই।

খনি মন্ত্রক আয়োজিত একটি অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে রেড্ডি জানান, ভারত টানা দ্বিতীয় বছরের মতো এক বিলিয়ন টন কয়লা উৎপাদনের মাইলফলক স্পর্শ করেছে। একসময় দেশে মাত্র ২১ থেকে ২৫ দিনের কয়লা মজুত থাকত, কিন্তু এখন সেই সক্ষমতা বহুগুণ বাড়ানো হয়েছে। সরকারের মূল লক্ষ্য হল আমদানির ওপর নির্ভরতা কমিয়ে খনিজ খাতে ভারতকে ‘আত্মনির্ভরশীল’ করে তোলা।

কয়লার পাশাপাশি ‘আরবান মাইনিং’ এবং ‘কয়লা গ্যাসিফিকেশন’-এর ওপরেও জোর দিচ্ছে সরকার। কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর দাবি, বাতিল রেফ্রিজারেটর বা এসি-র মতো ইলেকট্রনিক বর্জ্য থেকে দেশের ৩০-৪০ শতাংশ গুরুত্বপূর্ণ খনিজ উত্তোলন করা সম্ভব। এর ফলে একদিকে যেমন পরিবেশ রক্ষা পাবে, তেমনই দেশের অভ্যন্তরীণ চাহিদা মেটানো সহজ হবে। খনি সচিব পীযূষ গোয়েল জানিয়েছেন, ২০২৫-২৬ অর্থবর্ষে রেকর্ড সংখ্যক ২১২টি খনিজ ব্লক নিলাম করা হয়েছে, যা খনিজ উত্তোলনে এক নতুন গতি সঞ্চার করেছে। সরকারের এই প