ড্রোন বা মিসাইল নয়, যুদ্ধ জয়ে কেন আজও অপরাজেয় ‘হিউম্যান ইন্টেলিজেন্স’? ইরান-ইজরায়েল সংঘাতের নেপথ্য কাহিনী

আধুনিক যুদ্ধক্ষেত্রে স্যাটেলাইট, ড্রোন বা অ্যালগরিদম যতই শক্তিশালী হোক না কেন, সাম্প্রতিক ইরান-ইজরায়েল সংঘাত প্রমাণ করে দিয়েছে যে ‘হিউম্যান ইন্টেলিজেন্স’ বা মানব গোয়েন্দা নেটওয়ার্কই চূড়ান্ত নির্ণায়ক। নির্ভরযোগ্য সূত্রের দাবি, ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতোল্লা খামেনেইয়ের মৃত্যুর খবর আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণার আগেই তাঁর দেহ উদ্ধারের ছবি ইজরায়েলি সংস্থা মোসাদের হাতে পৌঁছে গিয়েছিল। এটি শুধু কৌশলগত জয় নয়, বরং শত্রুদেশের অভ্যন্তরে গভীর অনুপ্রবেশের এক ভয়ংকর দৃষ্টান্ত।

বিশেষজ্ঞদের মতে, ইজরায়েল ইরানের মাটিতেই গোপন ড্রোন ঘাঁটি তৈরি থেকে শুরু করে গুরুত্বপূর্ণ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার কাছে অস্ত্র মজুত করার মতো দুঃসাহসিক কাজ করেছে। স্যাটেলাইট আনুগত্য বোঝে না বা এনক্রিপশন মানুষের উচ্চাকাঙ্ক্ষা মুছে দিতে পারে না—তাই বছরের পর বছর ধরে শত্রু শিবিরের ভেতরে সূত্র তৈরি করাই গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর আসল ট্রেডক্রাফট। ভারতের মতো দেশ, যারা দীর্ঘকাল ধরে অনুপ্রবেশ ও সীমান্তপারের সন্ত্রাসের মোকাবিলা করছে, তাদের জন্য এই ‘মানব নেটওয়ার্ক’ তৈরি করা আজ আর বিলাসিতা নয়, বরং টিকে থাকার প্রধান শর্ত।