কেন ঢুকছে না ‘যুবসাথী’র টাকা? এপ্রিলে কি মিলবে জোড়া কিস্তি? জানুন বেকারভাতা নিয়ে বড় আপডেট!

নির্বাচনী আবহে এই মুহূর্তে রাজ্য রাজনীতির আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে পশ্চিমবঙ্গ সরকারের নয়া প্রকল্প ‘যুবসাথী’ (Yuvasathi)। মার্চ মাস থেকে যোগ্য প্রার্থীদের অ্যাকাউন্টে ভাতা ঢোকার প্রক্রিয়া শুরু হলেও, এখনও অনেক আবেদনকারী টাকা না পাওয়ায় দুশ্চিন্তায় রয়েছেন। তবে প্রশাসনিক সূত্রের খবর অনুযায়ী, এপ্রিলেও ভাতার টাকা ছাড়ার কাজ পুরোদমে শুরু হয়েছে।

কেন টাকা পেতে দেরি হচ্ছে?
প্রশাসনিক সূত্রে জানা গিয়েছে, কয়েক লক্ষ আবেদনের ভেরিফিকেশন বা যাচাইকরণ প্রক্রিয়া একসঙ্গে চলার কারণে সময় কিছুটা বেশি লাগছে। তবে দেরির মূল কারণগুলি হলো:

অনলাইন বনাম অফলাইন: যাঁরা অনলাইনে আবেদন করেছিলেন, তাঁদের তথ্য সরাসরি সিস্টেমে আপলোড হওয়ায় ভেরিফিকেশন আগে শেষ হয়েছে। ফলে তাঁরা আগে টাকা পাচ্ছেন। অফলাইন আবেদনের ক্ষেত্রে তথ্যগুলি ম্যানুয়ালি এন্ট্রি করতে হচ্ছে, যা সময়সাপেক্ষ।

ব্যাচ অনুযায়ী পেমেন্ট: টাকা একদিনে সবাইকে দেওয়া সম্ভব নয়। বিভিন্ন জেলায় ব্যাচ অনুযায়ী ধাপে ধাপে টাকা পাঠানো হচ্ছে।

তথ্য যাচাই: সরকারি নথির সাথে আবেদনকারীর দেওয়া তথ্যে গরমিল থাকলে বা আধার সংযোগে সমস্যা থাকলে ভাতা পেতে দেরি হচ্ছে।

অভ্যন্তরীণ জটিলতা: ট্রেজারিতে কিছু অভ্যন্তরীণ টেকনিক্যাল কারণে মাঝখানে ফান্ড রিলিজের গতি কিছুটা শ্লথ হয়েছিল, যা এখন স্বাভাবিক হচ্ছে।

টাকা পাওয়ার নিশ্চয়তা:
মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বারবার আশ্বস্ত করেছেন যে, যোগ্য প্রত্যেক আবেদনকারীই এই প্রকল্পের সুবিধা পাবেন। যাঁরা মার্চ মাসে টাকা পাননি, ভেরিফিকেশন সম্পূর্ণ হলে তাঁদের বকেয়া টাকাও ঢুকে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

প্রকল্পের বিশেষত্ব:
যুবসাথী প্রকল্পের আওতায় রাজ্যের ২১ থেকে ৪০ বছর বয়সী বেকার যুবক-যুবতীদের প্রতি মাসে ১৫০০ টাকা করে আর্থিক সহায়তা দেওয়া হচ্ছে। এই সুবিধা পাওয়া যাবে টানা পাঁচ বছর পর্যন্ত। এমনকি যাঁরা অন্য স্কলারশিপ পান, তাঁরাও এই ভাতার জন্য যোগ্য বলে বিবেচিত হবেন। টাকা সরাসরি আবেদনকারীর আধার-সংযুক্ত ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে (DBT) পাঠানো হচ্ছে।