বিশ্বকাপ থেকে বাদ পড়ার যন্ত্রণাই কি জ্বালানি? লখনউয়ের ডেরায় বিধ্বংসী গিল, ক্যাপ্টেন নক-এ কুপোকাত রাহুলরা!

ক্রিকেট অনিশ্চয়তার খেলা হতে পারে, কিন্তু শুভমন গিল যখন মেজাজে থাকেন, তখন ফলাফল যেন আগেভাগেই লেখা হয়ে যায়। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ থেকে বাদ পড়ার ধাক্কা কাটিয়ে আইপিএল ২০২৬-এ (IPL 2026) রাজকীয় প্রত্যাবর্তন ঘটালেন গুজরাত টাইটান্স অধিনায়ক। রবিবার রাতে একানা স্টেডিয়ামে লখনউ সুপারজায়ান্টসকে তাদের ঘরের মাঠেই ৭ উইকেটে হারিয়ে দিল গুজরাত। আর এই জয়ের দুই কারিগর— শুভমন গিল ও জস বাটলার।

গিল-বাটলারের মরণকামড়: জয়ের জন্য গুজরাতের সামনে লক্ষ্যমাত্রা ছিল ১৬৫ রান। বর্তমান টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে এই রান খুব বড় না হলেও, উল্টোদিকে যখন মহম্মদ শামির মতো অভিজ্ঞ ও ক্ষুরধার পেসার থাকেন, তখন কাজটা সহজ ছিল না। তবে গিল ও বাটলার শুরু থেকেই নিয়ন্ত্রিত আগ্রাসন দেখান।

  • টানা দুই: দিল্লি ক্যাপিটালসের পর এবার লখনউ— পরপর দুই ম্যাচে ম্যাচ জেতানো অর্ধশতরান হাঁকালেন ক্যাপ্টেন গিল।

  • ফিনিশ: ৮ বল বাকি থাকতেই জয়ের লক্ষ্যে পৌঁছে যায় গুজরাত। জস বাটলারের অভিজ্ঞ ব্যাটিং গিলের কাজকে আরও সহজ করে দেয়।

নির্বাচকদের কড়া বার্তা? বিশ্বকাপের দল থেকে শুভমন গিলের বাদ পড়া নিয়ে ক্রিকেট মহলে কম চর্চা হয়নি। সমালোচকদের একাংশ গিলের স্ট্রাইক রেট নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিলেন। কিন্তু লখনউয়ের বিরুদ্ধে রবিবাসরীয় এই ইনিংস যেন মৌন প্রতিবাদ। দায়িত্বশীল অধিনায়কত্বের পাশাপাশি তাঁর ব্যাটিং বুঝিয়ে দিল, ফর্ম সাময়িক হলেও ক্লাস চিরকালীন।

পয়েন্ট টেবিলে স্বস্তি: লখনউকে হারিয়ে লিগ তালিকায় নিজেদের অবস্থান মজবুত করল গুজরাত টাইটান্স। অন্যদিকে, ঘরের মাঠে হেরে কিছুটা চাপে পড়ে গেল লখনউ শিবির। বিশেষ করে শামির বোলিংয়ের সামনে গুজরাত ব্যাটাররা যেভাবে দাপট দেখালেন, তা আগামী ম্যাচগুলোতে বিপক্ষ দলগুলির জন্য সতর্কবার্তা।

ক্রিকেট অনিশ্চয়তার খেলা হতে পারে, কিন্তু শুভমন গিল যখন মেজাজে থাকেন, তখন ফলাফল যেন আগেভাগেই লেখা হয়ে যায়। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ থেকে বাদ পড়ার ধাক্কা কাটিয়ে আইপিএল ২০২৬-এ (IPL 2026) রাজকীয় প্রত্যাবর্তন ঘটালেন গুজরাত টাইটান্স অধিনায়ক। রবিবার রাতে একানা স্টেডিয়ামে লখনউ সুপারজায়ান্টসকে তাদের ঘরের মাঠেই ৭ উইকেটে হারিয়ে দিল গুজরাত। আর এই জয়ের দুই কারিগর— শুভমন গিল ও জস বাটলার।

গিল-বাটলারের মরণকামড়: জয়ের জন্য গুজরাতের সামনে লক্ষ্যমাত্রা ছিল ১৬৫ রান। বর্তমান টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে এই রান খুব বড় না হলেও, উল্টোদিকে যখন মহম্মদ শামির মতো অভিজ্ঞ ও ক্ষুরধার পেসার থাকেন, তখন কাজটা সহজ ছিল না। তবে গিল ও বাটলার শুরু থেকেই নিয়ন্ত্রিত আগ্রাসন দেখান।

  • টানা দুই: দিল্লি ক্যাপিটালসের পর এবার লখনউ— পরপর দুই ম্যাচে ম্যাচ জেতানো অর্ধশতরান হাঁকালেন ক্যাপ্টেন গিল।

  • ফিনিশ: ৮ বল বাকি থাকতেই জয়ের লক্ষ্যে পৌঁছে যায় গুজরাত। জস বাটলারের অভিজ্ঞ ব্যাটিং গিলের কাজকে আরও সহজ করে দেয়।

নির্বাচকদের কড়া বার্তা? বিশ্বকাপের দল থেকে শুভমন গিলের বাদ পড়া নিয়ে ক্রিকেট মহলে কম চর্চা হয়নি। সমালোচকদের একাংশ গিলের স্ট্রাইক রেট নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিলেন। কিন্তু লখনউয়ের বিরুদ্ধে রবিবাসরীয় এই ইনিংস যেন মৌন প্রতিবাদ। দায়িত্বশীল অধিনায়কত্বের পাশাপাশি তাঁর ব্যাটিং বুঝিয়ে দিল, ফর্ম সাময়িক হলেও ক্লাস চিরকালীন।

পয়েন্ট টেবিলে স্বস্তি: লখনউকে হারিয়ে লিগ তালিকায় নিজেদের অবস্থান মজবুত করল গুজরাত টাইটান্স। অন্যদিকে, ঘরের মাঠে হেরে কিছুটা চাপে পড়ে গেল লখনউ শিবির। বিশেষ করে শামির বোলিংয়ের সামনে গুজরাত ব্যাটাররা যেভাবে দাপট দেখালেন, তা আগামী ম্যাচগুলোতে বিপক্ষ দলগুলির জন্য সতর্কবার্তা।