অমিত শাহের মেগা ধামাকা! ৩০০০ টাকার ভাতা থেকে সপ্তম পে-কমিশন— বদলে যাবে বাংলার ছবি?

১. অনুপ্রবেশমুক্ত বাংলা: শাহ বলেন, “মমতা দিদি অনুপ্রবেশকারীদের তাড়াতে চান না, কিন্তু বিজেপি সরকার প্রতিটি অনুপ্রবেশকারীকে চিহ্নিত করে বাংলা থেকে বিতাড়িত করবে।” ২. মহিলাদের ৩০০০ টাকা ভাতা: তৃণমূলের লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের পাল্টা হিসেবে বিজেপি ক্ষমতায় আসলে প্রতি মাসে বাংলার মা-বোনেদের অ্যাকাউন্টে ৩০০০ টাকা করে দেওয়ার ঘোষণা করেছেন তিনি। ৩. বেকার ভাতা ও চাকরি: বেকার যুবকদের জন্য মাসে ৩০০০ টাকা ভাতা এবং সরকারি চাকরিতে স্বচ্ছ নিয়োগের মাধ্যমে যুবকদের বাংলায় কর্মসংস্থানের প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন শাহ। ৪. সপ্তম পে-কমিশন: সরকারি কর্মচারীদের দীর্ঘদিনের দাবি মেনে শাহ ঘোষণা করেন, বিজেপি সরকার গড়লে এ রাজ্যে সপ্তম পে-কমিশন চালু হবে। ৫. সিন্ডিকেট ও গুন্ডামুক্ত বাংলা: বালি থেকে সিমেন্ট— সব ক্ষেত্রে চলা ‘সিন্ডিকেট রাজ’ গঙ্গার জলে বিসর্জন দেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। গুন্ডাদের জায়গা হবে জেলে। ৬. কৃষকদের ৯০০০ টাকা: পিএম কিষাণ নিধির সঙ্গে বাড়তি মিলিয়ে বাংলার কৃষকদের বছরে মোট ৯০০০ টাকা করে দেওয়া হবে। ৭. মহিলা সংরক্ষণ ও নিরাপত্তা: সরকারি চাকরিতে মহিলাদের জন্য ৩৩ শতাংশ সংরক্ষণ এবং নারী সুরক্ষায় বিশেষ ‘দুর্গা সুরক্ষা স্কোয়াড’ (মহিলা পুলিশ ব্যাটালিয়ন) গঠন করা হবে। ৮. বিনামূল্যে শিক্ষা: কেজি (KG) থেকে স্নাতকোত্তর (PG) পর্যন্ত ছাত্রীদের সম্পূর্ণ বিনামূল্যে শিক্ষার ব্যবস্থা করবে বিজেপি সরকার। ৯. চিকিৎসা পরিষেবা: ৫ লক্ষ টাকা পর্যন্ত বিনামূল্যে চিকিৎসা এবং রাজ্যে আয়ুষ্মান ভারত প্রকল্প চালুর প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে। ১০. শিল্পায়ন: গত কয়েক বছরে বাংলা থেকে চলে যাওয়া ৬৫০০ কোম্পানিকে ফিরিয়ে এনে ফের শিল্পায়নের জোয়ার আনার কথা বলেন শাহ।
উপসংহার: অমিত শাহের এই ‘সঙ্কল্পপত্র’ বা ইস্তেহারের মূল লক্ষ্য হলো মধ্যবিত্ত ও নিম্নবিত্ত ভোটারদের মন জয় করা। বিশেষ করে ৩০০০ টাকার ভাতা এবং পে-কমিশনের ঘোষণা ভোটের লড়াইকে আরও হাড্ডাহাড্ডি করে তুলল।