লেবাননে ইজরায়েলের হামলা, হুড়মুড়িয়ে পড়ল সোনা! এক ধাক্কায় ১০০০ টাকা সস্তা হলুদ ধাতু

মধ্যপ্রাচ্যে ফের যুদ্ধের দামামা বাজতেই ওলটপালট হয়ে গেল সোনা ও রুপোর বাজার। ৭ এপ্রিল ইরান ও আমেরিকার মধ্যে যুদ্ধবিরতির পর সোনার দামে যে রেকর্ড বৃদ্ধি দেখা গিয়েছিল, লেবাননে ইজরায়েলি হামলার পর সেই ছবিটা পুরোপুরি বদলে গেল। লগ্নিকারীদের অবাক করে দিয়ে শুক্রবার হুড়মুড়িয়ে পড়ল সোনা ও রুপোর দর।
সোনার বাজারে বড় পতন: মাল্টি কমোডিটি এক্সচেঞ্জে (MCX) ৫ জুনের সোনার ফিউচারের দামে বড়সড় পতন লক্ষ করা গেছে।
-
দাম কমল: প্রায় ১,১২৯ টাকা।
-
বর্তমান দর: সোনার দাম ০.৭৪ শতাংশ কমে হয়েছে ১,৫০,৬৪৭ টাকা।
-
দিনের শুরুতে সর্বোচ্চ দর ১,৫১,৪৫২ টাকায় পৌঁছালেও বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে তা কমতে থাকে।
রুপোর দরেও ধস: সোনার চেয়েও বেশি পতন দেখা গেছে রুপোর ক্ষেত্রে। ৫ মে-র ফিউচার বাজারে:
-
দাম কমল: প্রায় ৪,৭৮৫ টাকা (প্রায় ২ শতাংশ)।
-
সর্বনিম্ন দর: ২,৩৫,১৩৩ টাকায় পৌঁছে গিয়েছিল রুপো।
-
বর্তমানে দাম সামান্য সামলে ২,৩৭,৫৮৯ টাকার আশেপাশে ঘোরাফেরা করছে।
ভবিষ্যৎ কী? কী বলছেন বিশেষজ্ঞরা:
বিশেষজ্ঞদের মতে, বাজার এখন একটি দোদুল্যমান অবস্থায় রয়েছে। তাঁদের মতে:
-
সোনার ক্ষেত্রে: যদি দাম ফের ১ লক্ষ ৫২ হাজার ছাড়িয়ে যায়, তবে অনায়াসেই তা ১ লক্ষ ৫৫ হাজার ছুঁয়ে ফেলবে। কিন্তু যদি ১ লক্ষ ৫০ হাজারের নিচে নামে, তবে দাম ১ লক্ষ ৪৭ হাজারে ঠেকতে পারে।
-
রুপোর ক্ষেত্রে: ২ লক্ষ ৪০ হাজার থেকে ২ লক্ষ ৪৩ হাজারের মধ্যে বড় বাধা রয়েছে। এই বাধা টপকালে দাম ২ লক্ষ ৪৭ হাজার পর্যন্ত উঠতে পারে। অন্যথায় দাম কমে ২ লক্ষ ৩০ হাজারে নামার সম্ভাবনাও রয়েছে।
কেন এই অস্থিরতা? সাধারণত যুদ্ধের সময় মানুষ সোনাকে নিরাপদ বিনিয়োগ মনে করে। কিন্তু আন্তর্জাতিক পরিস্থিতির দ্রুত পরিবর্তন এবং বড় বিনিয়োগকারীদের প্রফিট বুকিংয়ের জেরে এই মুহূর্তে দামে এমন ওঠানামা দেখা যাচ্ছে।