৩০ বছর পর বিধানসভার লড়াইয়ে ‘রবিনহুড’ অধীর! সাংসদ থেকে কেন বিধায়ক হতে চান বহরমপুরের ‘দাদা’?

একসময় দিল্লির রাজনীতিতে যাঁর কণ্ঠস্বর কাঁপাত লোকসভা, সেই পাঁচবারের সাংসদ ও প্রাক্তন রেল প্রতিমন্ত্রী অধীররঞ্জন চৌধুরী এবার লড়ছেন বাংলার বিধানসভা নির্বাচনে। দীর্ঘ তিন দশক পর ফের বিধানসভার লড়াইয়ে ফেরা নিয়ে বহরমপুরের অলিতে-গলিতে এখন জোর চর্চা।
অধীরের রাজনৈতিক সফরনামা:
-
শুরুটা বিধানসভা দিয়ে: ১৯৯১ সালে হারলেও ১৯৯৬ সালে জেলবন্দি অবস্থায় নবগ্রাম কেন্দ্র থেকে রেকর্ড ভোটে জিতে বিধায়ক হন।
-
দিল্লির অধীশ্বর: ১৯৯৯ থেকে ২০২৪ পর্যন্ত টানা পাঁচবারের সাংসদ। লোকসভায় কংগ্রেসের দলনেতা ও পিএসি-র চেয়ারম্যানের মতো গুরুত্বপূর্ণ পদ সামলেছেন।
-
অশ্বমেধের ঘোড়ায় লাগাম: ২০২৪-এর লোকসভা নির্বাচনে তৃণমূলের ইউসুফ পাঠানের কাছে হেরে বড় ধাক্কা খান অধীর।
কেন এই ফিরে আসা?
অধীর চৌধুরীর মতে, তিনি দলের একজন অনুগত সৈনিক। তাঁর কথায়, “দল মনে করেছে এই সময় সিনিয়ার নেতাদের ভোটে লড়া উচিত, আমি সেই নির্দেশ পালন করছি। আমি মুর্শিদাবাদের কণ্ঠস্বর হতে চাই।” জেলার কংগ্রেস কর্মীদের আশা, অধীর লড়লে জেলায় অন্তত ৫টি আসনে কংগ্রেস ঘুরে দাঁড়াতে পারবে।
বহরমপুরের জনতার মিশ্র প্রতিক্রিয়া:
| সমর্থক ও অনুরাগীরা কী বলছেন? | বিরোধাভাষ বা সংশয়বাদীরা কী বলছেন? |
| উন্নয়ন: বহরমপুরের ভাকুড়ির বাসিন্দাদের মতে, শহরের আধুনিকায়ন ও মহিলাদের নিরাপত্তা অধীরের হাত ধরেই নিশ্চিত হয়েছে। | মর্যাদা: অনেকের মতে, প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর এভাবে বিধানসভায় ফিরে আসাটা ভালো দেখাচ্ছে না। |
| বিকল্পহীন: অনেকের দাবি, বহরমপুরের সমস্যার কথা বিধানসভায় বলিষ্ঠভাবে তুলে ধরার জন্য অধীরের কোনো বিকল্প নেই। | অস্তিত্ব রক্ষার লড়াই: সমালোচকদের একাংশ মনে করছেন, রাজনীতিতে প্রাসঙ্গিক থাকতেই তিনি এই লড়াইয়ে নেমেছেন। |