তৃণমূলের বিদায় ঘণ্টা কি বেজে গেল? আলিপুরদুয়ারে দাঁড়িয়ে বিষ্ফোরক ভবিষ্যদ্বাণী বিজেপি নেতা নবীনের!

ভোটের উত্তাপের পারদ এবার তুঙ্গে! আলিপুরদুয়ারে এক বিশাল নির্বাচনী জনসভা থেকে রাজ্য সরকারকে তীব্র আক্রমণ শানালেন বিজেপি নেতা নবীন। তৃণমূলকে ক্ষমতা থেকে উৎখাত করার ডাক দিয়ে তিনি এক বিষ্ফোরক মন্তব্য করেন, যা নিয়ে এখন তোলপাড় রাজ্য রাজনীতি। নবীন সাফ জানিয়ে দিলেন, “আগামী ৪ মে বাংলার মানুষ তৃণমূলকে বিদায় জানাবে এবং সারা রাজ্যে ‘ভাগোয়া হোলি’ খেলা হবে।”
আলিপুরদুয়ারে নবীনের হুঙ্কার
উত্তরবঙ্গের এই গুরুত্বপূর্ণ নির্বাচনী সভা থেকে নবীন দাবি করেন যে, তৃণমূল সরকারের দুর্নীতির বিরুদ্ধে সাধারণ মানুষ এবার একজোট হয়েছেন। তাঁর কথায়:
“মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের শাসনের দিন শেষ হয়ে এসেছে। উত্তর থেকে দক্ষিণ—মানুষ এবার কেবল পরিবর্তনের অপেক্ষায়। ৪ মে যখন ভোটের ফল বেরোবে, তখন দেখবেন বাংলার আকাশ-বাতাস গেরুয়া আবিরে ভরে গিয়েছে। ওটাই হবে আমাদের প্রকৃত বিজয় উৎসব।”
তৃণমূলকে সরাসরি তোপ
সরাসরি তোপ দেগে নবীন আরও বলেন যে, সিন্ডিকেট রাজ আর তোলাবাজির হাত থেকে মুক্তি পেতে মানুষ বিজেপির দিকেই ঝুঁকছেন। তিনি অভিযোগ করেন, উত্তরবঙ্গের মানুষের উন্নয়নের নাম করে কেবল তাঁদের বঞ্চিত রাখা হয়েছে। তাই এবার ডুয়ার্সের মানুষ ব্যালট বক্সেই তার উপযুক্ত জবাব দেবেন।
৪ মে-র ফল নিয়ে লড়াই
বিজেপির এই ‘ভাগোয়া হোলি’ খেলার চ্যালেঞ্জকে অবশ্য গুরুত্ব দিতে নারাজ তৃণমূল শিবির। তাদের পাল্টা দাবি, আলিপুরদুয়ারের মানুষ জানেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তাঁদের জন্য কতটা উন্নয়ন করেছেন। ৪ মে কোনো ‘হোলি’ হবে না, বরং বিরোধীদের জন্য দিনটি হবে ‘শোকের দিন’।
২০২৬-এর বিধানসভা নির্বাচনের শেষ মুহূর্তের এই বাদানুবাদ বাংলার রাজনীতিকে এক অন্য মাত্রায় নিয়ে গিয়েছে। নবীনের এই ভবিষ্যদ্বাণী কি সত্যিই বাস্তবের রূপ পাবে? না কি আবারও ঘাসফুল শিবির নিজেদের দুর্গ রক্ষা করতে পারবে? নজর থাকবে ৪ মে-র নির্বাচনী ফলাফলের দিকে।