“রাত ৮টার পর কি মানচিত্র থেকে মুছে যাবে ইরান?” ট্রাম্পের পর এবার চরম ডেডলাইন দিলেন জেডি ভ্যান্স!

সময় যত এগোচ্ছে, বুক ধকপকানি বাড়ছে বিশ্ববাসীর। আমেরিকা ও ইরানের মধ্যেকার উত্তেজনা এখন আর কেবল কূটনীতিতে সীমাবদ্ধ নেই, তা পৌঁছেছে ধ্বংসের দোরগোড়ায়। প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ‘সভ্যতা ধ্বংসের’ হুঁশিয়ারির রেশ কাটতে না কাটতেই এবার হাঙ্গেরির রাজধানী বুদাপেস্ট থেকে চূড়ান্ত সময়সীমা বা ‘ডেডলাইন’ বেঁধে দিলেন মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স।

ভ্যান্সের কড়া বার্তা: “উত্তর চাই আজ রাতেই”

বুদাপেস্টে এক হাই-ভোল্টেজ সাংবাদিক বৈঠকে জেডি ভ্যান্স স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, ওয়াশিংটন আর অপেক্ষা করতে রাজি নয়। তিনি বলেন:

  • সময়সীমা: আজ রাত ৮টা (EST)।

  • অবস্থান: আমেরিকা ইতিমধ্যেই ইরানের বিরুদ্ধে তাদের প্রয়োজনীয় সামরিক লক্ষ্য পূরণ করেছে।

  • হুঁশিয়ারি: যদি আজ রাতের মধ্যে ইরানের কাছ থেকে ইতিবাচক সাড়া না মেলে, তবে এমন কঠোর সামরিক বিকল্প ব্যবহার করা হবে যা বিশ্ব আগে কখনও দেখেনি।

ভ্যান্সের ভাষায়, “আমরা যা করার করেছি, এখন বল ইরানের কোর্টে। সিদ্ধান্ত তেহরানকেই নিতে হবে।”

কেন এই চরম উত্তেজনা?

এই সংঘাতের মূলে রয়েছে বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি সরবরাহ পথ হরমুজ প্রণালী। অভিযোগ, ইরান এই পথটি অচল করে রাখায় বিশ্বজুড়ে তেলের বাজারে আগুন লেগেছে। আমেরিকা চায় ইরান অবিলম্বে এই পথ খুলে দিক এবং তাদের শর্ত মেনে দীর্ঘমেয়াদি চুক্তিতে সই করুক।

ট্রাম্পের ‘মহাপ্রলয়’ আতঙ্ক

এর আগেই ট্রাম্প সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করে লিখেছিলেন, আজ রাত হবে ইতিহাসের অন্যতম সন্ধিক্ষণ। তাঁর দাবি ছিল, চুক্তি না হলে ৪ ঘণ্টার মধ্যে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হবে ইরান। ভ্যান্সের আজকের বক্তব্য সেই আগুনেই ঘি ঢালল। আন্তর্জাতিক বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, মঙ্গলবার রাত ৮টা (EST) অর্থাৎ আন্তর্জাতিক সময় অনুযায়ী মধ্যরাতের পরেই বোঝা যাবে পৃথিবী কি শান্ত থাকবে নাকি নতুন কোনো মহাযুদ্ধের সাক্ষী হবে।

বিশ্বের নজর এখন ঘড়ির কাঁটার দিকে। ইরান কি নতি স্বীকার করবে? নাকি প্রাচীন পারস্য সভ্যতা এক ভয়াবহ ধ্বংসলীলার সম্মুখীন হবে?