প্রধানমন্ত্রীকে সাক্ষী রেখে কড়া তোপ! বাংলার মাটি থেকে নবান্নকে চরম হুঁশিয়ারি শমীক ভট্টাচার্যের

প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর উপস্থিতিতেই আজ বঙ্গ রাজনীতির উত্তাপ কয়েক গুণ বাড়িয়ে দিলেন বিজেপি নেতা শমীক ভট্টাচার্য। একদিকে যখন প্রধানমন্ত্রী মোদী বাংলার উন্নয়নের রূপরেখা তুলে ধরছিলেন, ঠিক তখনই মঞ্চে দাঁড়িয়ে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও তৃণমূল সরকারের বিরুদ্ধে সুর চড়ালেন শমীক। তাঁর প্রতিটি বাক্য ছিল যেন এক একটি অগ্নিবাণ, যা সরাসরি বিঁধেছে নবান্নকে।

মোদীর সামনেই কড়া মেজাজ: এদিন জনসভায় শমীক ভট্টাচার্য অভিযোগ করেন যে, কেন্দ্রের পাঠানো হাজার হাজার কোটি টাকা রাজ্যে এসে লুট করা হচ্ছে। প্রধানমন্ত্রীর সামনে দাঁড়িয়েই তিনি স্পষ্ট ভাষায় বলেন, “বাংলা আজ দুর্নীতির আঁতুড়ঘর হয়ে দাঁড়িয়েছে। এই অপশাসন থেকে মুক্তি পেতে বাংলার মানুষ ছটফট করছে।” তাঁর এই বক্তব্যের সময় মঞ্চে উপস্থিত প্রধানমন্ত্রীকেও অত্যন্ত গম্ভীর দেখায়।

মমতা সরকারকে সরাসরি নিশানা: মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রশাসনকে তোপ দেগে শমীক বলেন, রাজ্যে আইনের শাসন বলে কিছু নেই। তিনি অভিযোগ করেন, পুলিশকে রাজনৈতিক স্বার্থে ব্যবহার করা হচ্ছে এবং সাধারণ মানুষের অধিকার কেড়ে নেওয়া হচ্ছে। বিজেপি নেতার এই ‘গর্জে ওঠা’ দেখে রাজনৈতিক মহলের ধারণা, ২০২৬-এর বিধানসভা নির্বাচনের রণকৌশল এখন থেকেই চূড়ান্ত করে ফেলছে পদ্ম শিবির।

সংকেত কি বড় কোনো পদক্ষেপের? মোদীর উপস্থিতিতে শমীকের এই কড়া বার্তা কেবল এক রাজনৈতিক বক্তৃতা নয়, বরং এর পেছনে গভীর সংকেত দেখছেন বিশ্লেষকরা। রাজ্য বিজেপি যে দুর্নীতির ইস্যুতে একচুলও জমি ছাড়বে না এবং কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের নজর যে বাংলার প্রতিটি কোণায় রয়েছে, তা আজ ফের প্রমাণিত হলো।

“বাংলার মানুষ আর কতদিন এই অত্যাচার সইবে? সময় এসেছে পরিবর্তন নয়, বরং এই শাসনের মূলোৎপাটন করার।” — মঞ্চে দাঁড়িয়ে শমীক ভট্টাচার্য।