“প্রিসাইডিং থেকে পোলিং অফিসার”—ভোটের ডিউটিতে কার কত ইনকাম? জেনেনিন এক নজরে!

লোকসভা নির্বাচনের দামামা বাজতেই ভোটের ডিউটি পেতে শুরু করেছেন রাজ্য সরকারি কর্মীরা। গরমে দীর্ঘ সময় বুথে পড়ে থাকার ধকল সামলাতে এবার ভোটকর্মীদের মুখে হাসি ফোটাল নির্বাচন কমিশন। গত বছরের তুলনায় উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়ানো হয়েছে প্রিসাইডিং ও পোলিং অফিসারদের ভাতার পরিমাণ। কোন পদের জন্য কত টাকা বরাদ্দ হলো, দেখে নিন এক নজরে।

কার পকেটে কত টাকা? (এক নজরে চার্ট)

কমিশনের নতুন নোটিফিকেশন অনুযায়ী, প্রশিক্ষণের দিন থেকে শুরু করে ভোটের দিন পর্যন্ত ভাতার তালিকা নিচে দেওয়া হলো:

পদের নাম প্রতিদিনের ভাতা (ট্রেণিং) এককালীন পারিশ্রমিক (সর্বোচ্চ)
প্রিসাইডিং অফিসার ৫০০ টাকা ২,০০০ টাকা
প্রথম পোলিং অফিসার ৪০০ টাকা ১,৬০০ টাকা
দ্বিতীয় পোলিং অফিসার ৪০০ টাকা ১,৬০০ টাকা
রিজার্ভ পোলিং অফিসার ৪০০ টাকা

অতিরিক্ত যে সুবিধাগুলো পাবেন কর্মীরা:

  • খাবারের খরচ: প্রতিদিন খাবারের জন্য ১৭০ টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে। এক্ষেত্রে হয় টিফিন প্যাকেট দেওয়া হবে, নয়তো নগদ টাকা পাবেন কর্মীরা।

  • মোবাইল খরচ: প্রিসাইডিং অফিসারদের যোগাযোগের সুবিধার্থে অতিরিক্ত ৫০ টাকা ফোনের খরচ হিসেবে দেওয়া হবে।

  • নাইট ডিউটি: রাতে ডিউটি করলে ভোটকর্মীরা অতিরিক্ত ৫০০ টাকা করে পাবেন।

  • চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারী: বুথের অন্যান্য কাজে নিযুক্ত কর্মীরা দিনপ্রতি ৩৫০ টাকা পাবেন এবং সাথে ১৭০ টাকার টিফিন বা নগদ টাকা।

  • অতিরিক্ত ইনকাম: জেলা নির্বাচনী আধিকারিকের দপ্তরে দ্বিতীয় দিন ডিউটিতে যোগ দিলে মিলবে বাড়তি ৫০০ টাকা

আগের তুলনায় কতটা বাড়ল?

এতদিন পর্যন্ত প্রিসাইডিং অফিসার ও গণনা পর্যবেক্ষকরা দৈনিক ৩৫০ টাকা পেতেন, যা এবার বাড়িয়ে ৫০০ টাকা করা হয়েছে। অন্যদিকে, পোলিং অফিসারদের দৈনিক ২৫০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ৪০০ টাকা করা হলো। শুধু তাই নয়, ফ্লাইং স্কোয়াড, মাইক্রো অবজার্ভার এবং ভিডিও নজরদারিতে নিযুক্ত কর্মীদের ভাতাও বাড়ানো হয়েছে।

নির্বাচন কমিশনের এই সিদ্ধান্তে খুশি রাজ্য সরকারি কর্মীদের একাংশ। তবে তীব্র দাবদাহে বুথের পরিকাঠামো এবং নিরাপত্তা নিয়েও কমিশনের কাছে আর্জি জানিয়েছেন ভোটকর্মীরা।