‘ISF প্রার্থীকে অন্যায় ভাবে গ্রেপ্তার’,-তৃণমূল-বিজেপিকে একাসনে বসিয়ে বিস্ফোরক নৌশাদ

মালদহের মোথাবাড়িতে ভোটার তালিকায় নাম বাদ যাওয়াকে কেন্দ্র করে বিচারকদের ঘেরাও ও গাড়ি ভাঙচুরের ঘটনায় তোলপাড় বাংলা। এই ঘটনায় অন্যতম মূলচক্রী মিম (AIMIM) নেতা মোফাক্কেরুল ইসলাম এবং আইএসএফ (ISF) প্রার্থী মৌলানা শাহজাহান আলিকে পুলিশ গ্রেপ্তার করার পর থেকেই সুর চড়িয়েছে বিরোধীরা।

🛡️ “তদন্ত হোক বিডিও-র বিরুদ্ধেও”: নওশাদ সিদ্দিকি

শুক্রবার হাওড়ার জগৎবল্লভপুরে দলীয় প্রার্থীর প্রচারে গিয়ে আইএসএফ বিধায়ক নওশাদ সিদ্দিকি দাবি করেন, তাঁদের প্রার্থীকে সম্পূর্ণ অন্যায়ভাবে ফাঁসানো হয়েছে। তাঁর অভিযোগ:

  • তৃণমূল-বিজেপি আঁতাত: আইএসএফ ভালো ফল করবে জেনেই ‘বিজেমূল’ চক্রান্ত করে এই গ্রেপ্তারির নাটক সাজিয়েছে।

  • গণতান্ত্রিক অধিকার: ভোটার তালিকা থেকে নাম বাদ গেলে শান্তিপূর্ণ আন্দোলনের অধিকার সবার আছে।

  • পাল্টা তদন্তের দাবি: নওশাদের প্রশ্ন, বিডিও কীভাবে গাড়ি চাপা দেওয়ার চেষ্টা করেছিলেন, তার তদন্ত কেন হবে না? কয়েক লক্ষ মানুষের নাম বাদ যাওয়ার দায় মুখ্যমন্ত্রীকেই নিতে হবে।

⚖️ “তৃণমূলই অশান্তি পাকিয়েছে”: অধীর চৌধুরী

অন্যদিকে, মালদহের এই ঘটনা নিয়ে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আক্রমণের কড়া জবাব দিয়েছেন প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি অধীররঞ্জন চৌধুরী। তাঁর বক্তব্য:

  • যৌক্তিক বিক্ষোভ: মানুষের ক্ষোভের কারণ সঠিক হলেও বিশৃঙ্খলার পথ সমর্থনযোগ্য নয়।

  • তৃণমূলের চক্রান্ত: কংগ্রেস প্রার্থী শান্তিপূর্ণ অবস্থান করেছিলেন, কিন্তু কংগ্রেসকে টক্কর দিতে তৃণমূল নেতারা গ্রামে গ্রামে লোক জড়ো করে অশান্তি উসকে দিয়েছেন।

🚔 তদন্তের গতিপ্রকৃতি

বৃহস্পতিবারই মোথাবাড়ির ঘটনায় উত্তেজনামূলক বক্তৃতার দায়ে মোফাক্কেরুল ইসলামকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তদন্তকারীদের দাবি, এই মোফাক্কেরুলই ভিড় উসকে দিয়ে বিচারকদের ওপর হামলার ছক কষেছিলেন। বর্তমানে মামলাটি এনআইএ-র (NIA) হাতে যাওয়ায় তদন্তে নয়া মোড় আসতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।