৩৭ বছর পর ফাঁস জালিয়াতি! মাধ্যমিকের ভুয়ো সার্টিফিকেট দিয়ে BSF-এ চাকরি, কড়া হাইকোর্ট

৩৭ বছর আগে মাধ্যমিকের ভুয়ো শংসাপত্র জমা দিয়ে সীমান্তরক্ষী বাহিনীতে (BSF) কনস্টেবল পদে চাকরি পেয়েছিলেন সন্তোষ সর্দার। কিন্তু সত্য সামনে আসতেই বিএসএফ কর্তৃপক্ষ তাঁকে বরখাস্ত করে এবং ১৫ মাসের জেলের নির্দেশ দেয়। এই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েও কোনো সহানুভূতি পেলেন না ওই ব্যক্তি। বিচারপতি অমৃতা সিনহা স্পষ্ট জানিয়ে দিলেন, দেশের নিরাপত্তায় নিয়োজিত একটি বাহিনীর নৈতিক মনোবল নষ্ট হতে দেওয়া যায় না।

আদালত সূত্রে খবর, ১৯৮৯ সালে বিএসএফ-এ যোগ দিয়েছিলেন সন্তোষ। ১৯৯২ ও ২০০১ সালে তদন্তে জানা যায়, উত্তর ২৪ পরগনা জেলায় ওই নামে কোনো মাধ্যমিক পরীক্ষার্থীর রেকর্ড নেই। ২০০২ সালে তাঁর বিরুদ্ধে প্রতারণা ও জালিয়াতির মামলা হয়। দীর্ঘ আইনি টানাপোড়েনের পর ২০২১ সালে ওই ব্যক্তি নিজেই স্বীকার করেন যে, চরম দারিদ্রের কারণে তিনি ভুয়ো নথি তৈরি করেছিলেন। কিন্তু বিচারপতি সিনহা সাফ জানান, শিক্ষাগত যোগ্যতা না থাকা সত্ত্বেও জালিয়াতি করে চাকরিতে বহাল থাকা যায় না। মামলাকারীর পক্ষ থেকে বিচারপ্রক্রিয়ায় দেরির অজুহাত দেওয়া হলেও আদালত তা খারিজ করে দিয়েছে।