“উদ্ধারে দেরি হয়েছিল”, কালিয়াচক কাণ্ডে পুলিশের ‘ফাঁক’ কবুল করলেন উত্তরবঙ্গের এডিজি!

কালিয়াচকে সাত বিচারককে ৭ ঘণ্টারও বেশি সময় ধরে ঘেরাও এবং তাঁদের ওপর হামলার ঘটনায় অবশেষে পিছু হঠল পুলিশ প্রশাসন। সুপ্রিম কোর্ট যখন রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা নিয়ে কড়া মন্তব্য করেছে, ঠিক তখনই উত্তরবঙ্গের এডিজি কে জয়রামন মেনে নিলেন যে বিচারকদের উদ্ধারে বিলম্ব হয়েছিল এবং কোথাও একটি ‘ফাঁক’ থেকে গিয়েছিল।
পুলিশের স্বীকারোক্তি ও তদন্তের আশ্বাস
কালিয়াচকের বিডিও-২ অফিসে ভোটার তালিকা সংক্রান্ত কাজে গিয়ে বিক্ষোভের মুখে পড়েন সাত বিচারক, যাঁদের মধ্যে তিনজন মহিলা ছিলেন। আক্রান্ত বিচারকদের অভিযোগ ছিল, বিপদের সময় তাঁরা পুলিশের দেখা পাননি। এ প্রসঙ্গে এডিজি বলেন:
“পর্যাপ্ত নিরাপত্তা ছিল না এমন নয়। বিচারকরা আটকে পড়ে ভয় পেয়েছিলেন বলে হয়তো এমন বলছেন। তবে তাঁদের উদ্ধারে যে বিলম্ব হয়েছিল, তা সত্যি। কেন এই দেরি হলো এবং কোথায় গাফিলতি ছিল, তা আমরা খতিয়ে দেখছি।”
ধরা পড়ল মালদহ কাণ্ডের ‘মাস্টারমাইন্ড’
এদিন সকালেই বাগডোগরা বিমানবন্দর থেকে গ্রেফতার করা হয়েছে ঘটনার অন্যতম প্রধান অভিযুক্ত মোফাক্কেরুল ইসলামকে। সিআইডি এবং শিলিগুড়ি পুলিশের যৌথ অভিযানে ধরা পড়েন পেশায় এই আইনজীবী। পুলিশের দাবি:
-
মোফাক্কেরুল বেঙ্গালুরুতে পালানোর পরিকল্পনা করেছিলেন।
-
একাধিক ভিডিওতে তাঁকে জনতাকে উস্কানি দিতে এবং ‘ডিএম-এসপি’-কে চ্যালেঞ্জ ছুড়তে দেখা গিয়েছে।
-
তিনি মালদহের এই হিংসার অন্যতম মূল ষড়যন্ত্রকারী বলে মনে করছে পুলিশ।
কালিয়াচক কাণ্ডে পুলিশের অ্যাকশন একনজরে:
-
মোট গ্রেফতার: এখন পর্যন্ত ৩৬ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
-
মামলা: মালদহ কাণ্ডে মোট ১৯টি মামলা দায়ের হয়েছে।
-
নিরাপত্তা: বর্তমানে প্রত্যেক জুডিশিয়াল অফিসারের নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।