আই-প্যাকের অফিসে কি লুকিয়ে কোনো বড় তথ্য? ভোটের মুখে ফের ইডির হানায় তোলপাড় তৃণমূল

কলকাতায় আই-প্যাকের (I-PAC) সদর দপ্তর এবং সংস্থার কর্ণধার প্রতীক জৈনের বাড়িতে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেটের (ED) জোড়া অভিযানে রাজ্য রাজনীতিতে নতুন করে শোরগোল পড়ে গিয়েছে। গত ৮ জানুয়ারি এই অভিযানের শুরু থেকেই বিষয়টি অত্যন্ত সংবেদনশীল মোড় নেয়, যখন তৃণমূল কংগ্রেস নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় স্বয়ং প্রতীকের বাড়ি এবং আই-প্যাক অফিসে পৌঁছে যান। দলীয় বা কৌশলগত কারণে আই-প্যাকের গুরুত্ব যে বর্তমানে অপরিসীম, মুখ্যমন্ত্রীর এই সফরই তা স্পষ্ট করে দিয়েছে।

তবে এখানেই শেষ নয়, বৃহস্পতিবার ফের আই-প্যাকের অফিসে হানা দিয়েছে ইডি। সূত্রের খবর, এবারের অভিযান কেবল কলকাতাতেই সীমাবদ্ধ নেই। দিল্লি, হায়দরাবাদ এবং বেঙ্গালুরুর মতো গুরুত্বপূর্ণ শহরেও সংস্থার দপ্তরে একযোগে তল্লাশি চালানো হচ্ছে। গোয়েন্দাদের নজরে রয়েছে আই-প্যাকের আর্থিক লেনদেন এবং বিভিন্ন মেগা প্রোজেক্টের চুক্তিপত্র।

ভোটের দামামা বাজার মুখে আই-প্যাকের মতো একটি নির্বাচন কৌশলী সংস্থার ওপর ইডির এই লাগাতার চাপ যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ। সংস্থার কর্ণধার প্রতীক জৈনের সঙ্গে শাসকদলের শীর্ষ নেতৃত্বের ঘনিষ্ঠতার কারণেই কি এই সক্রিয়তা? এই প্রশ্নই এখন বড় হয়ে দেখা দিচ্ছে। ইডি সূত্রে দাবি করা হচ্ছে, নির্দিষ্ট কিছু তথ্যের ভিত্তিতেই এই ম্যারাথন তল্লাশি চালানো হচ্ছে। এই অভিযানের পর আই-প্যাকের ভবিষ্যৎ এবং আসন্ন নির্বাচনে তার প্রভাব কী হবে, তা নিয়ে তুঙ্গে জল্পনা।