গরম ভাতে সেরা চমক! মা ঠাকুমাদের স্টাইলে বানিয়ে ফেলুন জিভে জল আনা ‘এঁচোড় চিংড়ি’, আঙুল চাটবে সবাই!

বাংলার খাদ্যসংস্কৃতিতে ‘গাছ পাঁঠা’ বা এঁচোড় এক অনন্য জায়গা দখল করে আছে। আর সেই এঁচোড়ের সঙ্গে যদি যোগ হয় লাল লাল ছোট বা বড় চিংড়ি, তবে তো সোনায় সোহাগা! বসন্তের দুপুর হোক বা রবিবারের আড্ডা, এঁচোড়-চিংড়ির ডালনা মানেই ভাতের থালায় রাজকীয় ব্যাপার। অনেকেই বাড়িতে এঁচোড় রান্না করেন, কিন্তু ঠিকঠাক স্বাদ আনতে পারেন না। তাই আজ আপনাদের জন্য রইল সিক্রেট রেসিপি, যা ট্রাই করলে বাড়ির সকলে আপনার হাতের রান্নার প্রশংসায় পঞ্চমুখ হবে।
উপকরণ: এই পদটি বানাতে আপনার লাগবে ৫০০ গ্রাম এঁচোড় এবং ২৫০ গ্রাম তাজা চিংড়ি মাছ। মশলার জন্য প্রস্তুত রাখুন ২ টেবিল চামচ পেঁয়াজ বাটা, আদা ও রসুন বাটা (১/২ চা চামচ করে), জিরে ও কাঁচালঙ্কা বাটা (১ চা চামচ), ৫টি শুকনো লঙ্কা, হলুদ গুঁড়ো এবং সামান্য পাঁচফোড়ন। ফোড়নের জন্য লাগবে তেজপাতা, দারুচিনি, লবঙ্গ ও এলাচ (৩টি করে)। রান্নার জন্য পর্যাপ্ত তেল এবং স্বাদমতো নুন।
রান্নার পদ্ধতি:
রান্না শুরুর আগে এঁচোড়গুলো ডুমো ডুমো করে কেটে ভালো করে ধুয়ে নিন। এরপর সামান্য নুন ও হলুদ দিয়ে হালকা ভাপিয়ে নিন যাতে কষ ভাব চলে যায়। অন্য একটি পাত্রে চিংড়ি মাছ নুন-হলুদ মাখিয়ে রেডি রাখুন। এবার কড়াইতে তেল গরম করে তাতে দারুচিনি, এলাচ, লবঙ্গ, তেজপাতা এবং শুকনো লঙ্কা ফোড়ন দিন। মিষ্টি একটা গন্ধ বেরোলে তাতে চিংড়ি মাছগুলো দিয়ে হালকা লাল করে ভেজে নিন। মাছ ভাজা হলে তাতে একে একে পেঁয়াজ, আদা, রসুন, জিরে ও লঙ্কা বাটা দিয়ে কষাতে থাকুন। মশলা থেকে তেল ছাড়লে নুন ও হলুদ গুঁড়ো দিয়ে দিন।
সবশেষে আগে থেকে ভাপিয়ে রাখা এঁচোড় মশলার মধ্যে ঢেলে দিন। ভালো করে নেড়েচেড়ে মশলার সঙ্গে মিশিয়ে নিন এবং আঁচ কমিয়ে ঢাকা দিয়ে রাখুন যাতে সমস্ত মশলা এঁচোড়ের ভেতর ঢোকে। মাখা মাখা হয়ে এলে উপর থেকে সামান্য গরম মশলা ছড়িয়ে নামিয়ে নিন। তৈরি আপনার জিভে জল আনা এঁচোড় চিংড়ি। গরম গরম সাদা ভাতের সাথে এই পদটি পরিবেশন করুন, দেখবেন পাতের এক কোণেও আর কিছু পড়ে থাকবে না!