“পাইপলাইনের রান্নার গ্যাস সরবরাহের নির্দেশ!”-LPG-নিয়ে কী বললেন PM মোদী?

পশ্চিম এশিয়ায় যুদ্ধের দামামা, তার ওপর দেশজুড়ে এলপিজি (LPG) সিলিন্ডারের অভাব— সব মিলিয়ে পরিস্থিতি যথেষ্ট উদ্বেগজনক। এই ডামাডোলের মাঝেই বুধবার নিরাপত্তার ইস্যুতে হাই-ভোল্টেজ ক্যাবিনেট বৈঠক সারলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। যুদ্ধের প্রভাবে দেশের সাধারণ মানুষের হেঁশেলে যাতে তার আঁচ না পড়ে, তা নিশ্চিত করতেই এই জরুরি পদক্ষেপ।

গ্যাসের দাম ও সরবরাহ নিয়ে বড় আপডেট

বিশ্বজুড়ে অস্থিরতা থাকলেও দেশে রান্নার গ্যাসের দাম অপরিবর্তিত থাকছে। কেন্দ্র জানিয়েছে:

  • নতুন উৎস: এলপিজি ও এলএনজি আমদানির জন্য নতুন দেশ ও সরবরাহ ব্যবস্থার সন্ধান চালানো হচ্ছে।

  • কালোবাজারি রুখতে অ্যাকশন: সিলিন্ডারের মজুতদারি ও বেআইনি পাচার রুখতে দেশজুড়ে ‘অ্যান্টি ডাইভারশন’ অভিযান শুরু হয়েছে।

  • পাইপলাইন গ্যাস: পিএনজি (PNG) বা পাইপলাইনের রান্নার গ্যাস সরবরাহ বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

গরমে বিদ্যুৎ বিভ্রাট নয়: মজুত পর্যাপ্ত কয়লা

সামনেই চড়া গরম, বাড়বে বিদ্যুতের চাহিদা। বৈঠকে মোদী স্পষ্ট জানিয়েছেন, তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রগুলোর জন্য পর্যাপ্ত কয়লা মজুত আছে। কয়লা পরিবহণের জন্য রেলের ‘রেক’-এর সংখ্যাও বাড়ানো হয়েছে। এমনকি গ্যাস-ভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলোর ক্ষেত্রেও নিয়ম শিথিল করা হয়েছে যাতে লোডশেডিংয়ের সমস্যা না হয়।

প্রধানমন্ত্রীর কড়া নির্দেশ: “পরিবর্তিত আন্তর্জাতিক পরিস্থিতিতে সাধারণ মানুষ যেন সুরক্ষিত থাকে। ভুল তথ্য বা গুজব রুখতে সময়মতো সঠিক খবর প্রচার করতে হবে।”

বাজার নিয়ন্ত্রণে বিশেষ নজর

খাদ্যদ্রব্য ও সারের দাম নিয়ন্ত্রণে রাখতে রাজ্যগুলোকে কঠোর হওয়ার নির্দেশ দিয়েছে কেন্দ্র।

  • কন্ট্রোল রুম: নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দামে নজর রাখতে বিশেষ কন্ট্রোল রুম খোলা হয়েছে।

  • সারের যোগান: চাষিদের জন্য ইউরিয়া ও অন্যান্য সারের আন্তর্জাতিক সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে নিয়মিত সমন্বয় চালানো হচ্ছে।

সংঘাতের আবহে দেশের লজিস্টিক, শিপিং এবং ক্ষুদ্র শিল্প যাতে ধাক্কা না খায়, তার জন্য কোমর বেঁধে নামছে মোদী সরকার।