“আগে নেপথ্যে কাজ করেছি, এখন…!”-সাসপেনশন উঠতেই যা বললেন শান্তনু

আর জি কর কাণ্ড নিয়ে বিতর্কিত মন্তব্য এবং দলের সঙ্গে দীর্ঘ টানাপড়েন— সব কাটিয়ে অবশেষে রাজনীতির মূল স্রোতে ফিরলেন চিকিৎসক নেতা তথা প্রাক্তন সাংসদ শান্তনু সেন। ২০২৫ সালের জানুয়ারিতে শুরু হওয়া সাসপেনশন উঠে যেতেই ফের সক্রিয় মেজাজে ধরা দিলেন তিনি। দলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও সেকেন্ড-ইন-কমান্ড অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়েই নির্বাচনী প্রচারে ঝাঁপিয়ে পড়েছেন শান্তনু।

সাসপেনশন উঠতেই মিছিলে পা

তৃণমূল নেতা জয়প্রকাশ মজুমদার শান্তনু সেনের সাসপেনশন প্রত্যাহারের কথা ঘোষণা করার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই তাঁকে দেখা গেল কাশীপুর-বেলগাছিয়া বিধানসভার প্রার্থী অতীন ঘোষের সমর্থনে মিছিলে।

শান্তনু সেনের কথায়, “আমি তৃণমূলের জন্মলগ্ন থেকে রয়েছি। সাসপেনশন চলাকালীনও আমি আড়াল থেকে দলের নির্দেশ মেনে কাজ করেছি। এখন থেকে প্রকাশ্যে দলের দেওয়া সব দায়িত্ব পালন করব।”

আর জি কর বিতর্ক ও সুদীপ্ত রায়ের ছায়া মনে করা হচ্ছিল, আর জি কর কাণ্ডের সময় আর পি সি এ (RPCA) সংক্রান্ত কিছু মন্তব্য করার জেরেই তাঁকে কোপ সহ্য করতে হয়েছিল। তবে শান্তনু বরাবরই দাবি করেছেন, সাসপেনশনের কারণ তা ছিল না। অন্যদিকে, তাঁর কট্টর রাজনৈতিক বিরোধী হিসেবে পরিচিত বিদায়ী বিধায়ক সুদীপ্ত রায় এবার টিকিট পাননি। সু

দীপ্তর বিরুদ্ধেই শান্তনুর ডাক্তারি রেজিস্ট্রেশন বাতিলের চেষ্টার অভিযোগ উঠেছিল বারবার। এই প্রসঙ্গে শান্তনুর প্রতিক্রিয়া জানতে চাওয়া হলে তিনি কৌশলী উত্তর দিয়েছেন— “এই নিয়ে কিছু বলব না।”

### আগামী দিনের রণকৌশল রাজনৈতিক মহলের ধারণা, উত্তর কলকাতার রাজনীতিতে শান্তনু সেনের অভিজ্ঞতাকে এবার পূর্ণমাত্রায় ব্যবহার করতে চায় তৃণমূল নেতৃত্ব। বিশেষ করে চিকিৎসক মহলে তাঁর প্রভাবকে কাজে লাগিয়ে আর জি কর পরবর্তী ড্যামেজ কন্ট্রোল করতে মরিয়া জোড়াফুল শিবির।

শান্তনু জানিয়েছেন, দল তাকে যেখানে যেভাবে লড়াই করতে বলবে, তিনি সেই নির্দেশ মেনেই কাজ করবেন।