দিল্লিতে রোমহর্ষক হত্যাকাণ্ড! ঝগড়ার জেরে স্ত্রীর মাথায় এলপিজি সিলিন্ডারের ঘা, দেড় বছরের কোলের শিশুকে নিয়ে বসে রইল স্বামী

দেশের রাজধানীতে ফের এক নারকীয় হত্যাকাণ্ডের সাক্ষী থাকল সাধারণ মানুষ। পারিবারিক বিবাদের জেরে স্ত্রীকে এলপিজি সিলিন্ডার দিয়ে পিটিয়ে খুনের অভিযোগ উঠল স্বামীর বিরুদ্ধে। দক্ষিণ দিল্লির পুল প্রহ্লাদপুর এলাকায় এই চাঞ্চল্যকর ঘটনাটি ঘটেছে। মৃতার নাম পুনম, যিনি দুই সন্তানের জননী ছিলেন।
ঘটনার বিবরণ:
পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, অভিযুক্ত সুরেশ এবং পুনম দেড় মাস আগেই রাজস্থান থেকে দিল্লির এই ডিডিএ হাউজিং কমপ্লেক্সে থাকতে এসেছিলেন। রবিবার রাত সাড়ে ৯টা নাগাদ স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে চরম বচসা শুরু হয়। রাগের মাথায় সুরেশ ঘরে থাকা একটি ছোট (মিনি) এলপিজি সিলিন্ডার তুলে পুনমের মাথায় সজোরে আঘাত করেন। প্রতিবেশীরা চিৎকার শুনে ছুটে এসে দরজা ভেঙে ঘরে ঢোকেন, কিন্তু ততক্ষণে পুনমের মৃত্যু হয়েছে। অবাক করা বিষয় হল, স্ত্রীকে খুনের পর সুরেশ পালানোর চেষ্টা করেননি, বরং নিজের দেড় বছরের কন্যা সন্তানকে কোলে নিয়ে লাশের পাশেই বসে ছিলেন। পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে অভিযুক্তকে গ্রেফতার করেছে। দম্পতির বড় মেয়ে রাজস্থানে ঠাকুরদার কাছে থাকলেও, ছোট মেয়েটি বর্তমানে প্রতিবেশীদের তত্ত্বাবধানে রয়েছে।
বিশাখাপত্তনমে আরেক শিউরে ওঠা ঘটনা:
দিল্লির এই ঘটনার রেশ কাটতে না কাটতেই অন্ধ্রপ্রদেশের বিশাখাপত্তনমে আরও এক নৃশংস খুনের খবর সামনে এসেছে। এক মার্চেন্ট নেভি অফিসারের বিরুদ্ধে তাঁর প্রেমিকাকে খুন করে দেহ টুকরো টুকরো করার অভিযোগ উঠেছে। অভিযুক্ত চিন্তাদা রবীন্দ্র তাঁর স্ত্রী বাড়ি থেকে বেরোতেই প্রেমিকা পলিপল্লি মৌনিকাকে নিজের বাড়িতে ডেকে আনেন। সেখানে বচসার জেরে তাঁকে খুন করার পর দেহ লোপাটের উদ্দেশ্যে টুকরো করে ফ্রিজে এবং বস্তায় ভরে রাখেন। পুলিশ তল্লাশি চালিয়ে অভিযুক্তের বাড়ি থেকেই দেহাংশ উদ্ধার করেছে। দেশের দুই প্রান্তের এই দুই নৃশংস ঘটনায় নারী নিরাপত্তা নিয়ে ফের প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।