“বিমানবন্দরে এক কাপ চা মাত্র ১০ টাকায়!”-খুশি মনে কোথায় চা খেলেন রাঘব চাড্ডা?

বিমানবন্দর মানেই সাধারণ মানুষের চোখে আভিজাত্য আর আকাশছোঁয়া দামের কোলাজ। যেখানে এক কাপ সাধারণ চায়ের দাম মেটাতেও পকেটে টান পড়ে মধ্যবিত্তের। কিন্তু ২০২৬-এর এই মহার্ঘ্য বাজারে দাঁড়িয়ে সেই চেনা ছবিটা আমূল বদলে দিল দেশের বাণিজ্য নগরী মুম্বই। সাধারণ যাত্রীদের স্বস্তির কথা মাথায় রেখে মুম্বইয়ের ছত্রপতি শিবাজি মহারাজ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে চালু হলো এক অভিনব ‘উড়ান ক্যাফে’

মাত্র ১০ টাকায় এক চুমুক স্বস্তি যেখানে বিমানবন্দরের ভেতরে এক বোতল পানীয় জল কিনতেও কয়েকগুণ বেশি টাকা গুনতে হয়, সেখানে এই ক্যাফেতে মাত্র ১০ টাকায় মিলছে গরম চা। শুধু চা-ই নয়, কফি থেকে শুরু করে বিভিন্ন হালকা জলখাবারের দামও রাখা হয়েছে সাধারণ মানুষের নাগালের মধ্যে। বিমানবন্দরের টার্মিনাল চত্বরেই এই বিশেষ কাউন্টারগুলি খোলা হয়েছে, যা দেখে কার্যত অবাক সাধারণ যাত্রীরা।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শোরগোল, সরব রাঘব চড্ডা আম আদমি পার্টির নেতা রাঘব চড্ডা এই জনমুখী উদ্যোগের কথা সামাজিক মাধ্যমে তুলে ধরতেই তা দাবানলের মতো ছড়িয়ে পড়েছে। ইতিমধ্যেই এই ক্যাফের মেনু কার্ডের ছবি ভাইরাল হয়েছে নেটপাড়ায়। মুম্বই থেকে কলকাতা বা শিলিগুড়ি যাতায়াতকারী নিত্যযাত্রীরা এই নজিরবিহীন পদক্ষেপকে সাধুবাদ জানিয়েছেন। সাশ্রয়ী বিমান সফরের পাশাপাশি এই সাশ্রয়ী আহার মধ্যবিত্তের আকাশপথের যাত্রাকে আরও স্বাচ্ছন্দ্যময় করে তুলবে বলে মনে করা হচ্ছে।

আসছে কি ‘মুম্বই মডেল’? বিশেষজ্ঞদের মতে, উচ্চমূল্যের ভিড়ে সাধারণ মানুষের কথা ভেবে নেওয়া এই উদ্যোগ এক বিশাল পরিবর্তন। যদি ভারতের অন্যান্য বড় বিমানবন্দরগুলোতেও এই ‘মুম্বই মডেল’ অনুসরণ করা হয়, তবে সাধারণ মানুষের কাছে বিমানযাত্রা আরও সহজলভ্য হবে। চৈত্র শেষের এই রাজনৈতিক আবহে যখন সাধারণ মানুষের সুবিধা-অসুবিধা নিয়ে চর্চা তুঙ্গে, তখন মুম্বই বিমানবন্দরের এই খবরটি যাত্রীদের কাছে এক পশলা স্বস্তির বাতাসের মতো কাজ করছে।

আপাতত বাণিজ্য নগরীর এই ‘১০ টাকার চা’ নিয়ে রীতিমতো সরগরম গোটা দেশ।