“মাত্র ১০ টাকায় জলখাবার”-ভারতের এই এয়ারপোর্টের খাবারের রেট চার্টে শোরগোল

বিমানবন্দর মানেই যেখানে এক কাপ চায়ের দাম মেটাতে পকেট গড়ের মাঠ হয়ে যায়, সেখানে এবার উল্টো স্রোত। আভিজাত্যের জাঁকজমক সরিয়ে সাধারণ যাত্রীদের মুখে হাসি ফোটাতে উত্তরপ্রদেশের লখনউয়ের চৌধুরী চরণ সিং আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে (আমৌসি বিমানবন্দর) চালু হলো বিশেষ ‘উড়ান যাত্রী ক্যাফে’। ২০২৬-এর আকাশছোঁয়া মূল্যবৃদ্ধির বাজারে মাত্র ১০ টাকায় চা এবং পানীয় জল দেওয়ার এই নজিরবিহীন সিদ্ধান্ত এখন দেশজুড়ে চর্চার বিষয়।
কেন এই ‘উড়ান যাত্রী ক্যাফে’?
এতদিন বিমানবন্দরে এক বোতল জল বা কফির জন্য কয়েক’শ টাকা খরচ করতে হতো যাত্রীদের। বিশেষ করে বাজেট এয়ারলাইন্সে যাতায়াত করা সাধারণ মানুষের কাছে এটি ছিল এক বড় বিড়ম্বনা। সেই সংকটের কথা মাথায় রেখেই লখনউ বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ এই সাশ্রয়ী ক্যাফেটি চালু করেছে।
ক্যাফেটির বিশেষত্ব:
-
সস্তা মেনু: এখানে চা ও বিস্কুট থেকে শুরু করে বিভিন্ন হালকা স্ন্যাকস পাওয়া যাচ্ছে একদম নামমাত্র মূল্যে।
-
সহজ লভ্যতা: বিমানবন্দরের টার্মিনালের বাইরে এবং ভিতরে— দুই জায়গাতেই এই পরিষেবা মিলবে।
-
মধ্যবিত্তের ভরসা: শিলিগুড়ি বা কলকাতার মতো শহর থেকে লখনউ যাতায়াত করা যাত্রীদের কাছে এটি এক বিশাল স্বস্তি।
সব মহলে জয়জয়কার
ইতিমধ্যেই এই ক্যাফেটি নিয়ে যাত্রীদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ দেখা গিয়েছে। চৈত্র শেষের এই তীব্র গরম এবং রাজনৈতিক উত্তাপের মাঝে বিমানবন্দরের এই জনমুখী প্রকল্প যেন এক পশলা স্বস্তির বৃষ্টির মতো কাজ করছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, যদি দেশের অন্যান্য বড় বিমানবন্দরগুলিও লখনউয়ের এই মডেল অনুসরণ করে, তবে সাধারণ মানুষের কাছে বিমান সফর আরও স্বাচ্ছন্দ্যের এবং সস্তার হয়ে উঠবে।
২০২৬-এর এই ব্যস্ত সময়ে দাঁড়িয়ে লখনউয়ের ‘উড়ান যাত্রী ক্যাফে’ এখন যাত্রী পরিষেবায় এক অনন্য উদাহরণ সৃষ্টি করেছে।