প্রজেক্ট বিষ্ণু থেকে হাইপারসনিক মিসাইল—ভারতের নতুন রকেট ফোর্সের শক্তি দেখে ঘুম উড়ল লালফৌজের!

আধুনিক যুদ্ধক্ষেত্রে এখন আর শুধু পদাতিক সৈন্য বা ট্যাঙ্ক দিয়ে শ্রেষ্ঠত্ব প্রমাণ করা সম্ভব নয়। রাশিয়া-ইউক্রেন থেকে মধ্যপ্রাচ্য—বিশ্বের সাম্প্রতিক যুদ্ধগুলো প্রমাণ করে দিয়েছে যে, দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র এবং নির্ভুল নিশানাই (Precision Strike) আগামীর জয়ের চাবিকাঠি। এই পরিবর্তিত বৈশ্বিক প্রেক্ষাপটে ভারত গঠন করতে চলেছে এক বিধ্বংসী সামরিক শাখা—‘ইন্টিগ্রেটেড রকেট ফোর্স’ (IRF)। এটি এমন এক বিশেষায়িত বাহিনী, যা শত্রু ভূখণ্ডের গভীরে ঢুকে নিখুঁত ধ্বংসলীলা চালাতে সক্ষম।

আইআরএফ-এর প্রধান লক্ষ্য হলো পারমাণবিক অস্ত্রের সীমা অতিক্রম না করেই প্রচলিত যুদ্ধের মাধ্যমে শত্রুকে পঙ্গু করে দেওয়া। বর্তমান যুগে দামী যুদ্ধবিমানগুলো উন্নত এয়ার ডিফেন্স সিস্টেমের কাছে ক্রমশ অসুরক্ষিত হয়ে পড়ছে। তাই ভারতের এই নতুন বাহিনী সেনাবাহিনী, নৌবাহিনী ও বিমানবাহিনীর শক্তিকে একত্রিত করে এক অপ্রতিরোধ্য ক্ষেপণাস্ত্র শক্তি হিসেবে আত্মপ্রকাশ করবে।

আইআরএফ-এর হাতে থাকা ঘাতক অস্ত্রাগার: ১. ব্রহ্মোস ও ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র: বিশ্বের দ্রুততম সুপারসনিক মিসাইল ‘ব্রহ্মোস’ হবে এই বাহিনীর মেরুদণ্ড। এর ৮০০ কিমি পাল্লার উন্নত সংস্করণ এবং ডিআরডিও-র ১০০০ কিমি পাল্লার দেশীয় ক্রুজ মিসাইল (ITCM) যুক্ত হলে ভারতের আক্রমণাত্মক ক্ষমতা কয়েক গুণ বেড়ে যাবে। ২. প্রলয় ও বিএম-০৪ ব্যালিস্টিক মিসাইল: ৫০০ কিমি পাল্লার ‘প্রলয়’ ক্ষেপণাস্ত্র মাঝ-আকাশে দিক পরিবর্তন করতে পারে, যা শত্রু রাডারের চোখে ধুলো দিতে সক্ষম। এছাড়া ১৫০০ কিমি পাল্লার বিএম-০৪ ক্ষেপণাস্ত্র সরাসরি শত্রু বিমানঘাঁটি ও কমান্ড সেন্টার গুঁড়িয়ে দেবে। ৩. পিনাকা রকেট সিস্টেম: বর্তমানের ৭৫-১২০ কিমি পাল্লা ছাড়িয়ে পিনাকাকে ৩০০-৪৫০ কিমি পাল্লায় উন্নীত করার কাজ চলছে, যা ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞ চালাতে পারদর্শী। ৪. হাইপারসনিক ও প্রজেক্ট বিষ্ণু: ভারতের হাতে আসতে চলেছে ম্যাক ৫+ গতির হাইপারসনিক অস্ত্র। ‘প্রজেক্ট বিষ্ণু’ এবং ‘প্রজেক্ট কুশা’-র অধীনে তৈরি এই ক্ষেপণাস্ত্রগুলোকে প্রতিরোধ করা প্রায় অসম্ভব।

চীন ও পাকিস্তানের দ্বিমুখী চ্যালেঞ্জের মোকাবিলায় এই সমন্বিত রকেট বাহিনী ভারতের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থায় এক নতুন যুগের সূচনা করবে।